ঢাকা বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

আখের রস বিক্রি করে ফিরছে সচ্ছলতা

আখের রস বিক্রি করে ফিরছে সচ্ছলতা

সিরাজগঞ্জে জেলা উপজেলা শহরসহ মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে গ্রীষ্মকালীন আখের রস বিক্রি করছেন অনেকেই। এতে তাদের স্বচ্ছলতা ফিরেছে এবং অনেকের ছেলে মেয়ে স্কুল কলেজে লেখাপড়াও করছে। জেলা ও উপজেলা শহরসহ মহাসড়কের জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে আখের রস বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে মহাসড়কের কড্ডার মোড়, নলকার মোড়, হাটিকুমরুল গোলচত্বর, উল্লাপাড়া বাসস্ট্যান্ড, এনায়েতপুর কেজির মোড়, সিরাজগঞ্জ জেলা শহরের বাজার স্টেশন এলাকায় বেশি বিক্রি করা হয়। এ জেলার উল্লাপাড়া, সলংঙ্গা ও চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থান থেকে আখ কিনে আনা হয়। পরে আখ পরিষ্কার করে ভ্যানে সেটিং মেশিনে মাড়াই করা হয়। এ মাড়াই প্রতি গ্লাস রস ২০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তবে প্রচণ্ড গরমের প্রভাব পড়লে এ রসের চাহিদা বেড়ে যায়। এ মেশিনে আখ মাড়াই রস বিক্রিকারীর অনেকেই বলছে মাত্র ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার মধ্যে এ আখ মাড়াই মেশিন কেনা হয়। এ মেশিন ভ্যানের ওপর ফিটিং করে আখ মাড়াই করে রস তৈরি করা হয়। গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন জাতের আখের রসের মধ্যে বন ও ডোপা বন আখের রসের মিষ্টি বেশি এবং মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে বাস স্টপেজ এলাকায় যাত্রীদের এ রসের চাহিদাও বেশি। অবশ্য শীতকালে এ আখের রসের তেমন চাহিদা নেই। এ কারণে অনেকেই এ রস বিক্রি ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যায় এবং গ্রীষ্মকাল শুরু হতে না হতেই তারা ফের আখের রস বিক্রি শুরু করে। ঢাকা-উত্তরবঙ্গ মহাসড়কের সিরাজগঞ্জের কড্ডার মোড় ফ্লাই ওভারের নিচে। এখানে সিরাজগঞ্জে সলঙ্গা থানার রতনকান্দি গ্রামের আবু সাঈদ (৫৫) ও তার ছেলে স্থানীয় ফুলজোড় ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী ওমর ফারুক আখের রস বিক্রি করছে। ওমর ফারুক বলেছে, বাবার জমিজমা নেই এবং দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতেন। পাশ্ববর্তী গ্রামের কয়েক জনের আখের রস বিক্রির ব্যবসা দেখে বাবাও এ ব্যবসা শুরু করেছে। প্রায় ৪ বছর ধরে এখানে বাবার সাথে পৃথক দুটি স্থানে আখের রস বিক্রি করছি। প্রতিদিন বাবা ছেলে প্রায় ৫ হাজার টাকার আখের রস বিক্রি করি এবং ব্যয় খরচ বাদ দিয়ে প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার টাকা লাভ থাকে। বাবা ছেলে এ রস বিক্রি করে সংসার চলছে। সেইসঙ্গে ৩ ভাই বোন স্কুল কলেজে পড়াশোনাও করছি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত