
লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেঘনার তীর সংরক্ষণ বাঁধের একাধিক স্থানে ধস নেমেছে। তীব্র জোয়ারের স্রোতে এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এতে তীর সংরক্ষণ বাঁধ ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে। বাঁধের কয়েক ফুটের মধ্যে রয়েছে বড়খেরী নৌ পুলিশ ফাঁড়ি। যে কারণে হুমকিতে রয়েছে নৌ পুলিশ ফাঁড়ি, মাছঘাটসহ বহু সরকারি স্থাপনা। এর আগে মেঘনার অস্বাভাবিক জোয়ারের আঘাতে উপজেলার বড়খেরী অংশের বেড়িবাঁধের কয়েকটি স্থানে ধস দেখা দিলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উদ্যোগে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা হয়। এবারের বর্ষায় নতুন আরো কয়েকটি স্থানে ধস দেখা দেয়। নতুন-পুরনো মিলে এখন একাধিক স্থানে ধস নামে।
লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালে ১৯৯ কোটি টাকা ব্যয়ে ব্লক দিয়ে রামগতি বাজারের দক্ষিণ অংশে এক হাজার ২০০ মিটার তীর সংরক্ষণ বাঁধ দেওয়া হয়। বাঁধের কাছাকাছি সন্নিকটেই রয়েছে সরকারি বেশ কয়েকটি স্থাপনা। এর মধ্যে বড়খেরী নৌ পুলিশ ফাঁড়ি, ডাকবাংলো, ওয়াপদা ভবন, রামগতি বাজার মাছঘাট, আছিয়া বালিকা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় ও রাব্বানিয়া ফাজিল মাদরাসা। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে যেকোনো সময় মেঘনা নদীর জোয়ারের পানির স্রোতে বাঁধটি ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা মাটি সরে ব্লকগুলো ধসে যায়। এতে বাঁধটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ। বড়খেরী নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পুলিশ পরিদর্শক) মোহাম্মদ আলী বলেন, বাঁধের বেশ কয়েকটি স্পটে ব্লক দেবে গেছে। এতে বাঁধটি এখন ঝুঁকিপূর্ণ। এ বাঁধটির বড় ধরনের কোনো ক্ষতি হলে বড়খেরী নৌ পুলিশ ফাঁড়িসহ রামগতি বাজার মাছঘাট, ওয়াপদা ভবন, ডাকবাংলোসহ আশপাশের এলাকাগুলো ঝুঁকিতে পড়বে। লক্ষ্মীপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নাহিদ-উজ-জামান খান বলেন, 'নদীতে তীব্র ঢেউয়ের আঘাতে এমন হওয়াটা স্বাভাবিক। আমরা মেরামতের ব্যবস্থা করছি।