ঢাকা সোমবার, ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

ভেনেজুয়েলায় হামলা, মাদুরোকে তুলে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র

ভেনেজুয়েলায় হামলা, মাদুরোকে তুলে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্র

ভেনেজুয়েলায় বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গতকাল শনিবার মধ্যরাতে রাজধানী কারাকাসসহ ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন জায়গা বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। এরপর দেশটিতে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে ট্রাম্প দাবি করেছেন ব্যাপক হামলার পর মাদুরোকে আটক করা হয়েছে। সামাজিকমাধ্যম ট্রুথে করা এক পোস্টে ট্রাম্প বলেছেন, মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটকের পর ভেনেজুয়েলা থেকে বের করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে ভেনেজুয়েলা এবং দেশটির নেতা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর একটি বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। অভিযানে মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে আটক করে দেশটির বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

মার্কিনিদের হামলার নিন্দা জানিয়ে ভেনেজুয়েলার সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে যে চরম ন্যাক্করজনক সামরিক আগ্রাসন চালিয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ভেনেজুয়েলা। একইসঙ্গে বিশ্ববাসীর কাছে আমরা এই ঘটনার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তুলে ধরছি এবং এই সামরিক আগ্রাসন পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছি।’ এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার ভেতর এ হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিবিএস। মার্কিন কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, সামরিক অবকাঠামোসহ বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালাতে বলেছেন তিনি। ভেনেজুয়েলা মাদক উৎপাদন করে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায় এমন অভিযোগ তুলে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে প্রথমে যুদ্ধজাহাজসহ অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম জড়ো করে মার্কিন সেনারা। তারা প্রথমে সাগরে নৌকায় হামলা চালানো শুরু করে। আর আজ সরাসরি ভেনেজুয়েলার ভেতরে হামলা চালিয়েছে।

মাদুরো ও তার স্ত্রী কোথায় আছে জানে না ভেনেজুয়েলার সরকার : ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস কোথায় আছেন সেটি তারা জানেন না। গতকাল শনিবার মধ্যরাতে ভেনেজুয়েলার বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপক হামলা চালায় মার্কিন সেনারা। এর কয়েক ঘণ্টা পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান প্রেসিডেন্ট মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে। তবে তারা জীবিত নাকি মৃত সেটি জানাননি তিনি। এরমধ্যে ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাষ্ট্রীয় টিভি ভিটিভিকে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট নিকোলাম মাদুরো ও ফাস্ট লেডির বেঁচে আছেন’ আমাদের এমন তথ্য জানানোর জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে আমরা দাবি জানাচ্ছি।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্টকে আটক করে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডেল্টা ফোর্স : ব্যাপক হামলার পর ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে নিয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের ডেল্টা ফোর্স। মার্কিন কর্মকর্তারা গতকাল শনিবার সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এরআগে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটকের তথ্য জানিয়েছিলেন। সামাজিকমাধ্যম ট্রুথে তিনি লিখেছেন ‘যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে ভেনেজুয়েলা এবং দেশটির নেতা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর ওপর একটি বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে। অভিযানে মাদুরো এবং তার স্ত্রীকে আটক করে দেশটির বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

মার্কিনিদের হামলার নিন্দা জানিয়েছে ভেনেজুয়েলার সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে যে চরম ন্যাক্কারজনক সামরিক আগ্রাসন চালিয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ভেনেজুয়েলা। একইসাথে বিশ্ববাসীর কাছে আমরা এই ঘটনার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তুলে ধরছি এবং এই সামরিক আগ্রাসন পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছি।’

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার ভেতর এ হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সিবিএস। মার্কিন কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, সামরিক অবকাঠামোসহ বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালাতে বলেছেন তিনি। ভেনেজুয়েলা মাদক উৎপাদন করে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায় এমন অভিযোগ তুলে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে প্রথমে যুদ্ধজাহাজসহ অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম জড়ো করে মার্কিন সেনারা। তারা প্রথমে সাগরে নৌকায় হামলা চালানো শুরু করে। আর আজ সরাসরি ভেনেজুয়েলার ভেতরে হামলা চালিয়েছে।

ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা : যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার পর ভেনেজুয়েলায় জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো। গতকাল শনিবার স্থানীয় সময় রাত ২টায় দেশটির রাজধানী কারাকাসসহ অন্যান্য অঞ্চল বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। এরপর ভেনেজুয়েলার সরকার জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন জায়গায় সামরিক অবকাঠামো ও সাধারণ মানুষের ওপর হামলা চালিয়েছে। এই হামলা চালাতে নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে নিকোলাস মাদুরো বলেছেন যুক্তরাষ্ট্র তার দেশের তেল ও খনিজ সম্পদ লুটে নিতে এ হামলা চালিয়েছে। মার্কিনিদের হামলার নিন্দা জানিয়ে ভেনেজুয়েলার সরকার এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ভূখণ্ডে যে চরম ন্যাক্কারজনক সামরিক আগ্রাসন চালিয়েছে, তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে ভেনেজুয়েলা। একই সঙ্গে বিশ্ববাসীর কাছে আমরা এই ঘটনার আনুষ্ঠানিক অভিযোগ তুলে ধরছি এবং এই সামরিক আগ্রাসন পুরোপুরি প্রত্যাখ্যান করছি।’

এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ভেনেজুয়েলার ওপর এ হামলা চালানোর নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম সিবিএস। মার্কিন কর্মকর্তারা সংবাদমাধ্যমটিকে বলেছেন, সামরিক অবকাঠামোসহ বিভিন্ন জায়গায় হামলা চালাতে বলেছেন তিনি।

ভেনেজুয়েলা মাদক উৎপাদন করে যুক্তরাষ্ট্রে পাঠায় এমন অভিযোগ তুলে ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে প্রথমে যুদ্ধজাহাজসহ অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম জড়ো করে মার্কিন সেনারা। তারা প্রথমে সাগরে নৌকায় হামলা চালানো শুরু করে। আজ সরাসরি ভেনেজুয়েলার ভেতরে হামলা চালানো হয়েছে।

মাদুরোর ‘জীবিত থাকার প্রমাণ’ চাইলেন ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট : প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটক করা হয়েছে- যুক্তরাষ্ট্রের এমন দাবির পর, তার ‘জীবিত থাকার প্রমাণ’ চাইলেন ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ। প্রেসিডেন্ট মাদুরো বা ফার্স্ট লেডি সিলিয়া ফ্লোরেস কোথায় আছেন এ বিষয়ে ভেনেজুয়েলা সরকার এখনও জানেনা বলেও নিশ্চিত করেন তিনি। সরকার তাদের উভয়েরই ‘তাৎক্ষণিক জীবিত থাকার প্রমাণ’ দাবি করেছে। এর আগে, ভেনেজুয়েলায় হামলা চালানো এবং ‘দেশটির নেতা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করা হয়েছে’ বলে জানান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সফলভাবে ভেনেজুয়েলা ও তার নেতা প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর বিরুদ্ধে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে এবং স্ত্রীসহ তাকে আটক করা হয়েছে। পরে তাদের দেশ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।’

টানা কয়েক মাসের হুমকির পর ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসসহ দেশটির বিভিন্ন স্থানে সিরিজ বিমান হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। গতকাল শনিবার ভোরে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছেন একজন মার্কিন কর্মকর্তা। প্রত্যক্ষদর্শী এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, স্থানীয় সময় রাত ২টা থেকে টানা দেড় ঘণ্টা ধরে কারাকাসের আকাশে প্রচণ্ড বিস্ফোরণ, যুদ্ধবিমানের গর্জন এবং ঘন কালো ধোঁয়া আচ্ছন্ন হয়ে ছিল। হামলার পরপরই ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো দেশে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন এবং জাতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীকে মোতায়েন করেছেন।

ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শেষ : সিনেটর মাইক লি : ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিপাবলিকানদলীয় সিনেটর মাইক লি। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর তাঁকে উদ্বৃত করে ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের এই সিনেটর বলেন, বামপন্থী নেতা নিকোলা মাদুরোকে আটক করার পরই এ অভিযান শেষ হয়েছে। বার্তা সংস্থা এএফপির খবরে বলা হয়, মার্কো রুবিওর সঙ্গে ফোনে আলাপের বরাত দিয়ে গতকাল শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে মাইক লি লেখেন, ‘তিনি আশা করছেন, মাদুরো যেহেতু এখন যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে, তাই ভেনেজুয়েলায় আর কোনো সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে না।’

ভেনেজুয়েলার সরকারের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখার আহ্বান মাদুরোর সহযোগীর : ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিওসদাদো কাবেয়ো (নিকোলা মাদুরোর অন্যতম প্রধান সহযোগী ও প্রভাবশালী নেতা) টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে দেশবাসীকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দেশটির সরকারের নেতৃত্বের ওপর আস্থা রাখতে বলেছেন। তিনি বলেছেন, ‘কেউ হতাশ হবেন না। কোনোভাবেই যেন আক্রমণকারী শত্রুদের কাজ সহজ হয়ে না যায়।’ কাবেয়ো বলেন, বেসামরিক ভবনে বোমা হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই দাবির সপক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ দেননি।

নিকোলা মাদুরোর বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে মামলা আছে : ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোর বিরুদ্ধে ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে দুর্নীতি, মাদক পাচারসহ বিভিন্ন অভিযোগে মামলা করা হয়। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, এসব মামলার সময় যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ঘোষণা দিয়েছিল-মাদুরোকে গ্রেপ্তার বা দোষী সাব্যস্ত করতে সহায়ক তথ্য দিলে ৫ কোটি ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে। মাদুরোকে আটক করার ঘোষণা দিতে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করেই ভেনেজুয়েলায় অভিযান চালানো হয়েছে। মামলার অভিযোগপত্র যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের সাউদার্ন ডিস্ট্রিক্ট ফেডারেল আদালতে দাখিল করা হয়েছিল।

যে অজুহাতে ভেনেজুয়েলায় হামলা, তা গ্রহণযোগ্য নয় -রাশিয়া : ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযানের নিন্দা জানিয়েছে রাশিয়া। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, আজ (গতকাল) সকালে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার বিরুদ্ধে সশস্ত্র আগ্রাসন চালিয়েছে। এটা উদ্বেগজনক এবং নিন্দনীয়। বিবৃতিতে বলা হয়, এই হামলাকে ন্যায্যতা দিতে যে অজুহাত দেখানো হয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য নয়। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা ভেনেজুয়েলার জনগণের সঙ্গে আমাদের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করছি।’ ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় কোনো রুশ নাগরিক হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। ভেনেজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকায় রাশিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে পরিচিতি। তবে এখনো কারাকাসকে সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়নি ক্রেমলিন।

মাদুরোকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়েছে, তার বিচার হবে- রুবিওর বরাতে মার্কিন সিনেটরের দাবি : যুক্তরাষ্ট্রের রিপাবলিকান পার্টির নেতা সিনেটর দাবি করেছেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরোকে মার্কিন বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। বিচারের জন্য তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়েছে। ওই সিনেটর জানান, তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জেনেছেন।

ইউটাহ অঙ্গরাজ্যের সিনেটর মাইক লি গতকাল শনিবার ভোরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ জানান, ‘তিনি (মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রুবিও) আমাকে জানিয়েছেন, মার্কিন বাহিনী নিকোলা মাদুরোকে গ্রেপ্তার করেছে। যুক্তরাষ্ট্রে ফৌজদারি অপরাধের মামলায় তাঁর বিচার করা হবে। আজ রাতে আমরা যে সামরিক অভিযান দেখেছি, তা মূলত এই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে চালানো হয়েছিল।’ সিনেটর লি আরও বলেন, ‘প্রেসিডেন্টের এই পদক্ষেপ সম্ভবত সংবিধানের দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের আওতায় পড়ে, যা কোনো আসন্ন হামলা থেকে মার্কিন কর্মী ও নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়ার ক্ষমতা দেয়।’ তবে এর আগে সকালে সিনেটর লি এই হামলার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি জানতে চেয়েছিলেন, যুদ্ধ ঘোষণা বা সামরিক শক্তি ব্যবহারের আগাম অনুমতি ছাড়াই এই হামলা চালানোর কোনো সাংবিধানিক যুক্তি আছে কি না।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত