
শান্তিপূর্ণভাবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী (জকসু) সংসদের প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ভবনের ৩৯টি কেন্দ্রে ১৭৮টি বুথে ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা একটানা বেলা ৩টা পর্যন্ত চলে। সব কেন্দ্রের ভোট শেষে কড়া নিরাপত্তায় ব্যালট বাক্স কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে নেওয়া হয়। ভোটগ্রহণ শেষে ছয়টি ওএমআর মেশিনে ভোট গণনা সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
গতকাল তীব্র শীতের মধ্যেই নগরীর বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে ভোট দেন শিক্ষার্থীরা। শুরুতে কেন্দ্রগুলোতে শিক্ষার্থীদের ভালো উপস্থিতি দেখা গেলেও বেলা ১১টার পর ভিড় অনেকটা কমে যায়। তবে সাড়ে ১২টার পর শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি আর উচ্ছ্বাসে সরগরম হয়ে ওঠে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। জানা গেছে, জকসুর ২১টি পদে চারটি প্যানেল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মিলিয়ে ১৫৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তবে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির নেতৃত্বাধীন দুই প্যানেলের মধ্যেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা বেশি হয়।
ভোট পড়েছে ৬৫ শতাংশ : জকসু নির্বাচনের মোট ভোট পড়েছে ৬৫ শতাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ভোটার ১৬৪৪৫। সেই হিসাবে প্রায় ১০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, আইন বিভাগে ৮১ শতাংশের বেশি এবং ছাত্রীদের একমাত্র আবাসিক হল নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলে ৮০ শতাংশের বেশি ভোট কাস্টিং হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এই হলের মোট ১২০০ ভোটারের মধ্যে ৯৬৪ জন শিক্ষার্থী তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন, যা এবারের নির্বাচনে একক কেন্দ্র হিসেবে অন্যতম সর্বোচ্চ কাস্টিং। এছাড়া ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের একাউন্টিং বিভাগে (রুম ৩১৬ ও ৩১৭ মিলিয়ে) মোট ৭৫১ জন শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন। এছাড়া মার্কেটিং বিভাগে ৪০৮ জন এবং ফিন্যান্স বিভাগে ৩৯৪ জন শিক্ষার্থী ভোট দিয়েছেন।
সময় শেষ, ভোট না দিতে পেরে আক্ষেপ শিক্ষার্থীদের : জকসু নির্বাচনে ভোটদানের সময় শেষেও কেন্দ্রের বাইরে শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। ভোট না দিতে পেরে তারা আক্ষেপে করেন। ভোট দিতে আসা নাঈম ভূইয়া নামের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের ছেলেদের কোনো হল নেই। আমাদের তো পড়াশোনা থাকে। আমি জানতে পারি, ৪টা পর্যন্ত ভোট দেওয়া যায়। তবে এসে দেখি আর গেইটে বন্ধ করে দিল।’ নাঈম ভূইয়া একা নন, আরও কয়েকজন শিক্ষার্থীও ভোট দিতে না পেরে আফসোস করেন। অবশ্য ভোটদানের সময়সীমা নিয়ে প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্তে অটল থাকায় দুপুর ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেইন গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়। নির্বাচন কমিশনার জুলফিকার মাহমুদ বলেন, ‘ওই সময়ের (দুপুর ৩টা) মধ্যে যারা ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেন, তাদের ভোট নেওয়া হয়।’
দুপুরের পর কেন্দ্রের বাইরে নিরাপত্তা আরও জোরদার করে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনী। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের যে দুইটি গেইট দিয়ে প্রবেশ ও বের হওয়া যায়, সেখানে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও বিশ্বিবদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম অবস্থান নেয়।
প্রশাসনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতমূলক আচরণের অভিযোগ ছাত্রদল ও শিবির- সমর্থিত দুই প্যানেলেরই : জকসু নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করছে বলে অভিযোগ করেছে ছাত্রদল-ছাত্র অধিকার পরিষদ ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গঠিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান প্যানেল’ ও ইসলামী ছাত্রশিবির-সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেল। গতকাল মঙ্গলবার ভোট গ্রহণ শুরু হওয়ার দুই ঘণ্টার মধ্যেই পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী এ কে এম রাকিব ও ‘অদম্য জবিয়ান ঐক্য’ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম।
গতকাল সকাল ১০টার পর এক সংবাদ সম্মেলনে ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী এ কে এম রাকিব বলেন, ‘সকালবেলা আজকে (মঙ্গলবার) যখন আমরা ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করি, ক্যাম্পাসে প্রবেশ করি, তার কিছুক্ষণ পরেই দেখতে পাই যে একটা নির্দিষ্ট প্যানেলের যেই টোকেন নম্বর, যেখানে প্রত্যেক প্রার্থীর ব্যালট নম্বর আছে, এই ব্যালট নম্বর ভেতরে ঢুকছে; অথচ নির্বাচন কমিশন থেকে স্পষ্টভাবে বলা ছিল যে কোনো প্যানেল বা কোনো প্রার্থীর টোকেন নম্বর ক্যাম্পাসের ভেতরে ঢুকবে না।’
এ কে এম রাকিব আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশন প্রথমে টোকেন প্রবেশের বিষয়টি অস্বীকার করে। পরে তাদের প্রমাণ দেখালে তারা সবাইকে টোকেন নেওয়ার অনুমতি দেয়। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরত ব্যক্তিরা কেবল অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের টোকেন গ্রহণ করছেন এবং অন্য প্যানেলের টোকেন দেখলে বাধা দিচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের এমন কর্মকাণ্ডকে ‘দ্বিচারিতামূলক আচরণ’ বলেন তিনি।
বেলা ১১টার কিছু আগে সংবাদ সম্মেলন করেন অদম্য জবিয়ান ঐক্য প্যানেলের ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম। তিনি অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাসের বাইরে ছাত্রদলের কর্মীরা নারী শিক্ষার্থীদের হেনস্তা করাসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের নারী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমাদের শিবির প্যানেলের যে ভোটের চিরকুট ছিল, সেটা পর্যন্ত তারা কেড়ে নিচ্ছে।’ রিয়াজুল ইসলাম আরও বলেন, ‘আমরা মনে করছি, নির্বাচনের ভোট গণনা করার সময় তারা বড় কোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করতে পারে এবং বিভিন্ন মিডিয়ার মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি যে ক্যাম্পাসের আশপাশের অঞ্চলগুলোতে তারা বিভিন্ন ক্যাডারদের রেখেছে। আমরা নির্বাচন কমিশনের কাছে গেলে তারা দায়সারা উত্তর দেয় যে তারা এগুলো জানে না। কিন্তু এই তাৎক্ষণিক সমস্যাগুলো লিখিত অভিযোগ দিয়ে সমাধান করা সম্ভব নয়। নির্বাচন কমিশন ছাত্রদলের সঙ্গে পক্ষপাতিত্বমূলক আচরণ করছে।’ এদিকে ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী অংকিতা সাহাম বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার প্রথম ভোট। কাজেই আনন্দ উচ্ছ্বাস থাকবেই। শিক্ষার্থীদের সুষ্ঠু ভোটের মাধ্যমে যারাই দায়িত্বে আসবে, তাদের স্বাগত জানাব।’
শিবিরের ভিপি প্রার্থীর স্ত্রীকে হেনস্থার অভিযোগ : জকসু নির্বাচনে মূল ফটকের বাইরে ছাত্রশিবির সমর্থিত ভিপি প্রার্থী রিয়াজুল ইসলামের স্ত্রী ভোটের প্রচার চালানোর সময় ‘হেনস্তার মুখে’ পড়েন। এরপর তাকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় পুলিশ। রিয়াজুলের স্ত্রী মহিমা আক্তার অভিযোগ করে বলেন, ছাত্রদলের কর্মীরা তার ‘হিজাব ও মুখের মাস্ক খুলতে’ বলে হেনস্তা করেন। রিয়াজুলও বলেন, তার স্ত্রীকে ‘হেনস্তাকারীরা ছাত্রদলের নেতাকর্মী’। মাহিমা আক্তার বলেন, ‘আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে অবস্থান করছিলাম তখন ছাত্রদলের ভাইয়েরা এসে আমাকে হেনস্তা করে। সাথে আমার এক আত্নীয় ছিল, আমরা গেটের বাইরেই অবস্থান করছিলাম। এ সময় আমি হিজাব পরিহিত থাকায় আমাকে হিজাব ও মাস্ক খুলতে বলে।’ এদিকে ‘হেনস্তার কোন ঘটনা ঘটেনি’ বলে কোতোয়ালি থানার ওসি নিশ্চিত করেন। হেনস্তার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ছাত্রদলের সদস্যসচিব শামসুল আরেফিন। কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফয়সাল বলেন, হেনস্তার কোনো ঘটনা ঘটেনি। উনি প্রাক্তন শিক্ষার্থী হয়েও প্রচার চালাচ্ছিলেন। পরে কয়েকজন শিক্ষক আমাদের জানালে আমরা তাকে সেখান থেকে থানায় নিয়ে আসি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মাহিমা আক্তারকে অভিভাবকের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।
সাত বিভাগে ভোটগ্রহণ দেরিতে শুরু হওয়ায় ক্ষোভ : দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর উৎসবমুখর পরিবেশে শুরু হয় জকসু সংসদের প্রতিনিধি নির্বাচন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় একযোগে ৩৯টি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার কথা থাকলেও নির্বাচনি সরঞ্জাম পৌঁছাতে দেরি হওয়ায় অন্তত সাতটি বিভাগে ভোটগ্রহণ দেরিতে শুরু হয়। সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, বাংলা, রসায়ন, গণিত, মনোবিজ্ঞান, ম্যানেজমেন্ট এবং ড্রয়িং, প্রিন্ট মেকিং ও নকশা বিভাগে নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ১৫ থেকে ১ ঘণ্টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত দেরিতে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। তথ্য অনুযায়ী, গণিত বিভাগে ৯টা ২০ মিনিট, রসায়ন বিভাগে ৯টা ২০ মিনিট, ড্রয়িং ও প্রিন্ট বিভাগে ৯টা ১৫, মনোবিজ্ঞান বিভাগে ৯টা ২৩ এবং ম্যানেজমেন্ট বিভাগে ৯টা ১৫ মিনিটে ভোট শুরু হয়। সবচেয়ে বেশি দেরি হয় বাংলা বিভাগে, যেখানে দুটি বুথে যথাক্রমে ৯টা ৩৫ এবং ৯টা ৪৫ মিনিটে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বাংলা বিভাগ কেন্দ্রের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সহকারী অধ্যাপক ড. গালিব দেরির কারণ হিসাবে জানান, এক কেন্দ্রের নির্বাচনি সরঞ্জাম ভুলবশত অন্য কেন্দ্রে চলে যাওয়ায় এই বিপত্তি ঘটে। তবে সকালের দিকে ভোটারের চাপ কম থাকায় বড় ধরনের সমস্যা হয়নি বলে জানান তিনি।
এদিকে দায়িত্বরত রোভার স্কাউট সদস্য সাইফুল ইসলাম জানান, সরঞ্জাম সংকটের কারণে শিক্ষার্থীদের লাইনে অপেক্ষা করতে হয়। তবে ভোট শুরু হওয়ার পর কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে যায়।
ফলাফল যাই হোক একসঙ্গে কাজ করব- ভিপি প্রার্থী রাকিব : জকসু নির্বাচনে ফলাফল যাই হোক একসেঙ্গ কাজ করবেন বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী মো. রাকিব। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানি ডিপার্টমেন্ট কেন্দ্র থেকে নিজের ভোট দেন ছাত্রদল, ছাত্র অধিকার ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের সমর্থিত সমন্বিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী মো. রাকিব। ভোট শেষে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর জকসু নির্বাচন হয়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যাপক উপস্থিতি আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে। সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত প্রতিনিধি যাই নির্বাচিত হোক একসঙ্গে কাজ করব।
নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশি : নির্বাচনে নারী ভোটারদের উপস্থিতি ছিল বেশি। বিভিন্ন কেন্দ্রে নারী ভোটারদের দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে দেখা যায়। এছাড়া সকাল থেকে নারী শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি লক্ষ্য করা গেছে।
এক ব্যালটের বিপত্তি, ভোট গণনা দুই ঘণ্টা স্থগিত : জকসু নির্বাচনে শান্তিপূর্ণ ভোট শেষে গণনা করতে গিয়ে বিপত্তিতে পড়েছে নির্বাচন কমিশন। গণনার সঠিকতা যাচাই করতে গিয়ে একটি ব্যালটে গড়মিল হওয়ায় ভোট গণনার কাজ দুই ঘণ্টা ধরে থমকে থাকে। নির্বাচন কমিশনার ও আইন বিভাগের অধ্যাপক মো. শহীদুল ইসলাম মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টায় বলেন, ‘একটা সমস্যা পড়েছি, সমাধেনের পথ খুঁজছি। আমরা যে সমাধান দেব, আশা করি সবাই সেটা পছন্দ করবে।’ মঙ্গলবার বিকাল ৪টায় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ও একটি হলের শিক্ষার্থী প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে সব ব্যালট বাক্স নিয়ে আসা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ছয়টি ওএমআর (অপটিকাল মার্ক রিকগনিশন) মেশিনে সেখানে কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা শুরু হয়। কিন্তু মিলনায়তনে ভিড় বেড়ে গেলে মিনিট পনের পর গণনার কাজ থামিয়ে দেওয়া হয়। শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকদের বের করে দিয়ে আধা ঘণ্টা পর ফের গণনা শুরু হয়। কিন্তু এরপর গড়মিল ধরা পড়লে সন্ধ্যা ৭টার দিকে আবারও থমকে যায় গণনার কাজ। গতকাল রাত ৯টা পর্যন্ত ভোট গণনার কাজ আর শুরু হয়নি।