ঢাকা বুধবার, ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

যুদ্ধে ‘রাজি’ ইরান, সিদ্ধান্ত বদল ট্রাম্পের

যুদ্ধে ‘রাজি’ ইরান, সিদ্ধান্ত বদল ট্রাম্পের

ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে দমন-পীড়নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকির পর ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্রকে হুঁশিয়ারি করে বলেছেন, ওয়াশিংটন যদি তাদের ‘পরীক্ষা’ করতে চায় তাহলে তার দেশ যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত আছে। সোমবার আল জাজিরা আরবিকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আব্বাস আরাঘচি বলেন, চলমান অস্থিরতার মধ্যে যুক্তরােষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগের পথ খোলা রয়েছে তবে তিনি জোর দিয়ে বলেছেন যে, তার দেশ ‘সকল বিকল্পের জন্য প্রস্তুত’। তিনি দাবি করেছেন যে গত বছরের ১২ দিনের যুদ্ধের তুলনায় ইরানের এখন ‘বড় এবং ব্যাপক সামরিক প্রস্তুতি’ রয়েছে। গত রোববার ট্রাম্পের মন্তব্যের পরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ইরান। দেশব্যাপী বিক্ষোভ অর্থনৈতিক সংকটের কারণে আরও তীব্র হয়ে উঠেছে এবং পদ্ধতিগত পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। অপরদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি বিক্ষোভের উপর দমন-পীড়নের জন্য ‘শক্তিশালী বিকল্প’ বিবেচনা করছেন, যার মধ্যে সম্ভাব্য সামরিক পদক্ষেপও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

সম্প্রতি মার্কিন বিশেষ বাহিনীর হস্তক্ষেপে ভেনেজুয়েলার বামপন্থি প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে অপহরণের নির্দেশ দেওয়া ট্রাম্প বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বৈঠকের আয়োজন করা হচ্ছে। তবে বৈঠকের আগে যা ঘটছে তার কারণে পদক্ষেপ নিতে হতে পারে বলেও হুমকি দিয়েছেন তিনি।

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, ওয়াশিংটন আগে যে সামরিক বিকল্প পরীক্ষা করেছে তেমন কিছু করতে চাইলে আমরা প্রস্তুত আছি। তিনি বলেন, মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিক্ষোভের আগে এবং পরে অব্যাহত ছিল এবং এখনো চলছে। আরাঘচি বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে আলোচনা করা ধারণাগুলো তেহরানে পর্যালোচনা হচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, তার দেশের বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের প্রস্তাবিত ধারণা এবং হুমকি অসঙ্গতিপূর্ণ।

সামরিক পদক্ষেপের চিন্তাভাবনা ছেড়ে ইরানের বিরুদ্ধে আচমকা কেন ‘অস্ত্র’ বদল ট্রাম্পের : ইরানের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কীভাবে হস্তক্ষেপ করা যায়, কী কী কঠোর পদক্ষেপ করা যায়, মার্কিন বাহিনীর সামনে কী বিকল্প রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে আমেরিকায়। সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল না। তবে, হঠাৎ করে ইরানের বিরুদ্ধে আচমকাই ‘অস্ত্র’ বদল করেছে আমেরিকা। সামরিক পদক্ষেপের পরিকল্পনা থেকে সরে দাঁড়িয়ে এবার বসাল শুল্কের কোপ।

তেহরানের বিরুদ্ধে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট তৈরি করলেন আর্থিক প্রতিবন্ধকতা। তবে, এটি কোনও আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানাচ্ছে, এখনই ইরানে হামলা না করার জন্য ট্রাম্পকে পরামর্শ দিয়েছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স।

গত দুই সপ্তাহ ধরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে। ওই বিক্ষোভে প্রকাশ্যেই সমর্থন জানিয়েছেন ট্রাম্প এবং তার প্রশাসন। বিক্ষোভ দমন করতে যে পদক্ষেপ করছে তেহরান, তাতেও অসন্তুষ্ট আমেরিকা। এরই মধ্যে রয়টার্সের সাম্প্রতিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ইরানের উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কীভাবে হস্তক্ষেপ করা যায়, কী কী কঠোর পদক্ষেপ করা যায়, মার্কিন বাহিনীর সামনে কী বিকল্প রয়েছে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে আমেরিকায়। সামরিক পদক্ষেপের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছিল না। কিন্তু এরই মধ্যে সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ট্রাম্প ঘোষণা করেন, ইরানের সঙ্গে যারা বাণিজ্য কার্যক্রম পরিচারনা করবে তাদের উপরে শুল্ক চাপাবে আমেরিকা। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানাচ্ছে, মার্কিন প্রশাসনের কয়েক জন শীর্ষ কর্মকর্তা ট্রাম্পকে পরামর্শ দেন যাতে এখনই সেদেশে হামলা না করা হয়। হামলার আগে কূটনৈতিক স্তরে কী কী সম্ভাবনা রয়েছে, তা পরখ করার প্রস্তাব দেন তারা। একই প্রস্তাব দেন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভান্সও। তার পরেই কূটনৈতিকভাবে কীভাবে ইরানকে চাপে ফেলা যায়, সেই দিকগুলি বিবেচনা করে দেখা শুরু হয় হোয়াইট হাউসে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানান, এটি সম্পূর্ণ সত্য নয়। তার কথায়, ‘ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স এবং বিদেশসচিব রুবিয়ো প্রেসিডেন্টের কাছে কিছু সম্ভাব্য পথের কথা বলেন। সেখানে কূটনৈতিক পদক্ষেপ থেকে শুরু করে সামরিক পদক্ষেপ, সবই ছিল।’ মার্টিনের দাবি, ভান্স এবং রুবিয়ো কোনও পক্ষপাতিত্ব না করে বিকল্প সম্ভাবনাগুলি তুলে ধরেছেন।

সামরিক পদক্ষেপের দিক থেকে যে ট্রাম্প প্রশাসন পিছিয়ে আসছে, তার আভাস পাওয়া গিয়েছিল সোমবার। আচমকা ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান থেকে পরমাণু-সমঝোতার আহ্বান জানানো হয়েছে তাকে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জানান, ইরান থেকে তাকে ফোন করা হয়েছিল। সমঝোতার বার্তা দেওয়া হয়েছে। এমনকি, ইরানের নেতৃত্বের সঙ্গে একটি বৈঠকের আয়োজনও করছেন তিনি, এমনটাও শোনা যাচ্ছিল। এরই মধ্যে হোয়াইট হাউসের প্রেসসচিব ক্যারোলিন লেভিট বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প একটি বিষয়ে খুব পারদর্শী, তিনি সকল বিকল্প পথকে আলোচনার টেবিলে খোলা রাখেন। সেই অনেক বিকল্পগুলির মধ্যে একটি রয়েছে বিমানহানাও।’

ইরানে বিক্ষোভে ২০০০ মানুষ নিহত- সরকারি কর্মকর্তা : ইরানে চলমান বিক্ষোভে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যসহ প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার ইরানের একজন সরকারি কর্মকর্তা এই তথ্য জানিয়েছেন। দুই সপ্তাহ ধরে চলা দেশব্যাপী অস্থিরতা দমনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার পর এই প্রথম কর্তৃপক্ষ এত বিপুলসংখ্যক মানুষের মৃত্যুর কথা স্বীকার করল। রয়টার্সের সঙ্গে আলাপকালে ওই ইরানি কর্মকর্তা দাবি করেন, বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা কর্মী- উভয় পক্ষের মৃত্যুর পেছনে ‘সন্ত্রাসীরা’ দায়ী। তবে নিহতদের মধ্যে কতজন সাধারণ মানুষ আর কতজন নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য- সে বিষয়ে ওই কর্মকর্তা কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি। ইরানে ভয়াবহ অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে এই অস্থিরতার সূত্রপাত হয়েছে। গত তিন বছরের মধ্যে এটি ইরানের কর্তৃপক্ষের জন্য সবচেয়ে বড় অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ বলে ধারণা করা হচ্ছে। গত বছর ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলার পর থেকে ইরান এমনিতেই তীব্র আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে রয়েছে।

ইরানে নিহতের সংখ্যা ১২ হাজারের বেশি : জেরুজালেম পোস্টইরানে চলমান বিক্ষোভ দমনে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১২ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে বলে দাবি করেছে জেরুজালেম পোস্ট। সংবাদমাধ্যম ইরান ইন্টারন্যাশনালের বরাত দিয়ে তারা এ দাবি করে। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে তারা জানিয়েছে, এই হত্যাকান্ডের বড় অংশই ঘটেছে বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার—মাত্র দুই রাতের মধ্যে। ঘটনাটিকে দেশটির ‘সমসাময়িক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় হত্যাকাণ্ড’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে এসব সংখ্যা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন এইচআরএএনএ জানিয়েছে, গত মাসে বিক্ষোভ শুরু হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত ৬৪৬ জনের মৃত্যুর তথ্য তারা নিশ্চিত করতে পেরেছে।

ইরান ইন্টারন্যাশনালে বরাত দিয়ে জেরুজালেম পোস্ট জানিয়েছে, তাদের এই হিসাবের সূত্রের মধ্যে রয়েছে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা, প্রেসিডেন্টের দপ্তরের দুইটি সূত্র এবং মাশহাদ, কেরমানশাহ ও ইসফাহানে কর্মরত ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) সদস্যরা। এছাড়া প্রত্যক্ষদর্শী, নিহতদের পরিবারের সদস্য, মাঠপর্যায়ের প্রতিবেদন, চিকিৎসাকেন্দ্রের তথ্য এবং বিভিন্ন শহরের চিকিৎসক ও নার্সদের বিবরণ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এইচআরএএনএ জানায়, রোববার পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া ৬৪৬ নিহতের মধ্যে ৫০৫ জন সক্রিয় বিক্ষোভকারী, যাদের মধ্যে নয়জন শিশু রয়েছে। এছাড়া ১৩৩ জন সামরিক ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, একজন কৌঁসুলি এবং সাতজন বিক্ষোভে অংশ না নেওয়া বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আরও ৫৭৯ জনের মৃত্যুর খবর যাচাইয়ের আওতায় রয়েছে। সংগঠনটির তথ্যমতে, বিক্ষোভ শুরুর পর থেকে অন্তত ১০ হাজার ৭২১ জনকে আটক করা হয়েছে। সরকারি বা সরকারপন্থী গণমাধ্যমে আটক ব্যক্তিদের ৯৭টি জোরপূর্বক স্বীকারোক্তির ঘটনা প্রকাশ করা হয়েছে বলেও জানানো হয়।

গত সপ্তাহে গ্রেপ্তার বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে ইরান : গত দুই সপ্তাহ ধরে চলা সরকার বিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া এক বিক্ষোভকারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে ইরান। দুটি মানবাধিকার সংস্থা সোমবার এ তথ্য জানিয়েছে। ইরান হিউম্যান রাইটস এবং ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর ডেমোক্রেসি ইন ইরান নামে মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, ইরফান সোলতানি নামে ২৬ বছর বয়সী এই বিক্ষোভকারীকে গত সপ্তাহে কারাজ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সূত্র জানিয়েছে, ‘ইরফান সুলতানির পরিবারকে জানানো হয়েছে তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং আগামী ১৪ জানুয়ারি তার দণ্ড কার্যকর করা হবে।’ ইরান হিউম্যান রাইটসের পরিচালক মাহমুদ আমিরি-মোঘাদ্দাম এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘১৯৮০ সালের দিকে ইরান সরকার যেভাবে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করত, সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ওই হত্যাকাণ্ডের মিল আছে। যেগুলোকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল।’

ন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর ডেমোক্রেসি ইন ইরান এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘সোলতানির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর ঠেকাতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানাচ্ছি আমরা। তার একমাত্র অপরাধ ছিল ইরানের স্বাধীনতা চাওয়া। সোলতানিকে কোনো বিচার প্রক্রিয়ায় আইনজীবীও নিয়োগ করতে দেওয়া হয়নি।’ সংবাদমাধ্যম ইউএস সান জানিয়েছে, সোলতানির বিরুদ্ধে ‘আল্লাহর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার’ অভিযোগ আনা হয়েছে। যা ইরানে মৃত্যুদণ্ডযোগ্য অপরাধ। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজ জানিয়েছে, ইরানের সব জায়গায় ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন থাকায় সোলতানিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া ও সেটি কার্যকর হতে যাওয়ার বিষয়টির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি। তবে ইরান সাম্প্রতিক সময়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছে, বিক্ষোভের নামে যারা সরকারি সম্পদের ক্ষতি করেছে তাদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর থেকে ক্ষমতায় থাকা ইরানের ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ এই আন্দোলন মোকাবিলায় দ্বিমুখী নীতি গ্রহণ করেছে। তারা অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে হওয়া প্রতিবাদণ্ডবিক্ষোভকে ‘বৈধ’ বলে অভিহিত করলেও বাস্তবে অত্যন্ত কঠোরভাবে বিক্ষোভ দমন করছে। ইরান সরকার এই অস্থিরতা উসকে দেওয়ার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী করে দাবি করেছে, তথাকথিত ‘সন্ত্রাসীরা’ এই আন্দোলনকে দখল করে নিয়েছে। এর আগে একটি মানবাধিকার সংস্থা জানিয়েছিল, বিক্ষোভে শত শত মানুষ নিহত এবং হাজার হাজার মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কয়েক দিন ধরে তেহরান সরকারের ইন্টারনেট বন্ধ রাখাসহ যোগাযোগের ওপর নানা বিধিনিষেধ থাকায় তথ্য সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। গত এক সপ্তাহে বিক্ষোভকারী ও নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে রাতের বেলা সংঘর্ষের বেশ কিছু ভিডিও পাওয়া গেছে। এসব ভিডিওতে গোলাগুলি, গাড়ি ও ভবনে অগ্নিসংযোগসহ সহিংস সংঘাতের চিত্র দেখা গেছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত