
ঢাকার যানজট নিরসনে রাজধানীর বাইরে স্যাটেলাইট শহর গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘রোড ডিজাইনিং, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট সিস্টেম এবং চাকরি ঢাকা কেন্দ্রিক গড়ে উঠায় ট্রাফিক জ্যাম বাড়ছে। ট্রাফিক সমস্যা সমাধানে ঢাকার বাইরে স্যাটেলাইট টাউন গড়ে তুলবো। ফ্লাইওভারে হয়েছে, মেট্রোরেল দেখছি। মেট্রোরেল ব্যয়বহুল, জায়গা বেশি নেয়। এক্ষেত্রে মনোরেল সুবিধাজনক। ছোট ছোট বগি এবং মেট্রোর সঙ্গে ঢাকার সব জায়গায় এটিকে যুক্ত করা যায়।’ গতকাল শনিবার রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক জাতীয় রিলস নির্মাণ প্রতিযোগিতায় ১০ বিজয়ীর সঙ্গে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণের নানা পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।
এসময় বিএনপির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন, প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ শিবলী, তারেক রহমানের মেয়ে ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।
তারেক রহমান বলেন, ‘নাগরিকদের জন্য সরকারের অনেক প্রকল্প চালু আছে। তবে সেগুলো অগোছালো। ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে এই সুবিধাগুলো আমরা এক জায়গায় আনতে চাই।’ তিনি বলেন, ‘যোগাযোগব্যবস্থা উন্নত না হওয়ায় পণ্যদ্রব্যের মূল্য বাড়ে। তাই কৃষককে প্রণোদনা দেওয়ার পাশাপাশি এ বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে। এটা ঠিক আমরা যেই পরিকল্পনাই করি না কেন, সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। দুর্নীতি রোধ করতে হবে। এসব বিষয় ঠিক করা গেলে অন্য সমস্যাগুলো স্বাভাবিক হয়ে যাবে।’
তারেক রহমান বলেন, ‘পড়ালেখাকে ফান হিসেবে আনতে পড়ালেখা সহজ করতে হবে। আনন্দপূর্ণ করতে হবে। যাতে বাচ্চারা আগ্রহী হয়। আমরা ক্ষমতায় আসলে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সেভাবে সাজাবো। একাডেমিক পড়ালেখার সঙ্গে খেলাধুলাকেও যুক্ত করবো। খেলাধুলাতেও পাশ করতে হবে। আর্ট অ্যান্ড কালচার অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তাহলে ইন্টারনেট ব্রাউজ করা থেকে ঠেকানো যাবে। বিষয়ে আমরা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে নিয়ে আলাদা টিম করে কাজ করবো।’ তিনি বলেন, ‘আমাদের তরুণরা অদক্ষ অবস্থায় বিদেশ যাচ্ছেন। তাই অনেক সময় সঠিক মূল্যায়ন পাচ্ছেন না। আমরা তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছি। প্রবাসীরা সঠিক চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠালে তাদের জন্য প্রণোদনা রাখতে পারব।’