
ইসরায়েলের হামলা ‘দেশের ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় সার্বভৌমত্বকে লক্ষ্য করে’ চালানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
গত শনিবারের এই হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষা অবকাঠামো এবং বিভিন্ন শহরের বেসামরিক স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু করেছে শত্রুরা। ইরানের সার্বভৌমত্ব লক্ষ্য করে চালানো এই হামলার ঘটনায় তেহরানের পাল্টা জবাবে শত্রুরা অনুতপ্ত হবে। এক বিবৃতিতে মন্ত্রণালয় বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদিবাদী শাসকগোষ্ঠীর পুনরায় সামরিক আগ্রাসন আন্তর্জাতিক আইন এবং জাতিসংঘ সনদের নীতিমালার সুষ্পষ্ট লঙ্ঘন।
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান এই আগ্রাসনকে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করছে এবং জোর দিয়ে বলছে, এর জবাবে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার বৈধ অধিকার তেহরানের রয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, উত্তেজনা বৃদ্ধি রোধ এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইরানি জাতি সবসময় ধৈর্য ও সংযম প্রদর্শন করেছে।
তবে সশস্ত্র বাহিনী দেশ রক্ষায় ‘পুরোপুরি প্রস্তুত’ এবং তারা হামলাকারীদের এমন জবাব দেবে; যা তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য অনুতপ্ত করবে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের এই হামলা সশস্ত্র আগ্রাসনের সুস্পষ্ট উদাহরণ এবং আত্মরক্ষার অধিকারের বিষয়টি জাতিসংঘ সনদের ৫১ অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, ইরানিরা কখনও আগ্রাসনের কাছে আত্মসমর্পণ করেনি। এবারও ইরানের জবাব হবে দৃঢ় এবং আগ্রাসীরা তাদের বৈরী কর্মকাণ্ডের জন্য অনুতপ্ত হবে।