
ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে রাতভর হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। এতে ব্যালিস্টিক মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল, হাইপারসনিক মিসাইল ও ড্রোন ব্যবহার করেছে তারা। রুশদের চালানো এ হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন।
ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা সংস্থা গতকাল বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, রাশিয়ার হামলায় আরও ৩৩ জন আহত হয়েছেন। ইউক্রেনের বিমানবাহিনী জানিয়েছে, রাশিয়া কয়েক ডজন ব্যালিস্টিক, ক্রুজ এবং হাইপারসনিক মিসাইল ছুড়েছে। এর সঙ্গে হামলায় তারা ১৬৮টি ড্রোনও ব্যবহার করেছে। বিমানবাহিনী বলেছে, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ব্যবহার করে ১৪৫টি ড্রোন ও বেশিরভাগ ক্রুজ মিসাইল প্রতিহত করা হয়েছে। কিন্তু ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলোর মধ্যে একটিও আটকানো সম্ভব হয়নি।
প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, পর্যাপ্ত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা না থাকায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তিনি মিত্র দেশগুলোকে তাদের সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন। অপরদিকে কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো ধ্বংস হয়ে যাওয়া একটি ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে বলেছেন, ‘আমাদের গোলাবারুদ, মিসাইল প্রতিরোধী ব্যবস্থা এবং মিত্রদের কাছ থেকে সহায়তা প্রয়োজন।’ ইউক্রেনের জরুরি পরিষেবা সংস্থা আরও জানিয়েছে, গতকাল রাতের হামলায় শিশুদের একটি হাতপাতাল ও স্কুলকে টার্গেট করা হয়েছে। এতে এ দুটি অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইউক্রেন গত কয়েক মাস ধরে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অভাবে ভুগছে। এতে করে তারা ব্যালিস্টিক মিসাইলগুলো প্রতিহত করতে পারছে না। এসব ব্যালিস্টিক মিসাইল প্রতিহতে প্রয়োজন শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। জেলেনস্কি কিছুদিন আগে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের প্যাট্রিয়ট মিসাইল সিস্টেমের মাত্র পাঁচ শতাংশ তাদের দেয় তাহলে রাশিয়াকে আটকে দেওয়া সম্ভব হবে।