ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৬, ১৭ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

‘বিএনপিকে বড় দল বানিয়েছেন খালেদা জিয়া’

‘বিএনপিকে বড় দল বানিয়েছেন খালেদা জিয়া’

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নেতৃত্বকে ‘অনন্যসাধারণ’ বলে অভিহিত করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক মোজাম্মেল হোসেন। রাজনীতির এ বিশ্লেষক মনে করেন, খালেদা জিয়ার হাত ধরেই বিএনপি বড় রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে।

খালেদা জিয়ার জানাজা ও দাফন উপলক্ষে একটি অনুষ্ঠানের আলোচনায় যোগ দিয়ে এমন পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন মোজাম্মেল হোসেন।

খালেদা জিয়ার স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, “আমরা বেগম খালেদা জিয়াকে শেষ বিদায় জানালাম, জাতি-জনগণ শেষ বিদায় জানালো। তবে যিনি রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, তিনি তো আলোচনায় থাকবেন। খালেদা জিয়া বিএনপিকে গড়ে তুলেছেন; আমি বলছি, বিএনপিকে বড় রাজনৈতিক দল করেছেন। একটা অনন্য সাধারণ ঘটনা যে, বাংলাদেশ একটা মুসলিম প্রধান দেশ। শুধু মুসলিম প্রধানই নয়; রাজনৈতিক কারণে, মানে ইসলামের রাজনৈতিক ব্যবহারের কারণে এখানে গোঁড়ামি কতগুলো বিকশিত হচ্ছে। “সেইরকম একটা সমাজে তিনি কিন্তু ইসলামী নামধারী দলগুলোকে একত্রিত করে তাদের নেতাদের সঙ্গেও; মানে নিজেকে নেতৃত্বের আসনে বসিয়ে রেখে, চেয়ারম্যানের আসনে বসিয়ে রেখে তিনি যে রাজনীতি করেছেন, কথা বলেছেন, এটি একটি অনন্য সাধারণ ঘটনা বলে আমি উল্লেখ করছি। যদিও এ রাজনীতির অন্য দিক আছে, যে এই ইসলামপন্থি দলগুলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী ভূমিকায় ছিল।”

২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিএনপির শাসনামলের দুর্নীতি নিয়ে দেশ-বিদেশে অনেক সমালোচনা হয়েছে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আমি বলব যে, আগামী দিনে দেশের গণতন্ত্রের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র এবং দুর্নীতি কমানোর জন্য তাদের তহবিলের ব্যবস্থাপনা আরো স্বচ্ছ করা উচিত। “কে চাঁদা দিচ্ছে, কোথায় খরচ হচ্ছে, ইত্যাদি। এই জিনিসগুলো বিএনপিসহ ভবিষ্যতে যদি আওয়ামী লীগও আমাদের দেশের রাজনীতিতে ফিরে তারাসহ; সব দল এই জিনিসগুলো যদি চর্চা না করে, তাহলে আমরা একটা আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশ করতে পারব না।” খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাকে এক সময় ‘মাইনাস করার চেষ্টা করা হলেও’ এখন তারা ‘প্রাকৃতিকভাবে’ সরে গেছেন মন্তব্য করে মোজাম্মেল হোসেন বলেন, “আমরা মনে করি, এই দুটি দলের অতীতেও ভালো সুযোগ ছিল যে পরস্পর একটা গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্যে এবং পরস্পরের সমঝোতামূলক রাজনীতিতে, সংঘাতপূর্ণ না; সেটা করে দেশে পার্লামেন্টারি গণতন্ত্র স্থিতিশীল করা যেত।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত