
সপ্তাহের দ্বিতীয় কর্মদিবস গতকাল সোমবার দেশের দুই শেয়ারবাজারে শক্ত অবস্থান নিয়ে লেনদেন শেষ হয়েছে। আগের দিন ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার খবরে বড় পতনের পর মাত্র এক কর্মদিবসের ব্যবধানে বাজারে ইতিবাচক প্রত্যাবর্তন দেখা গেছে।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)- উভয় বাজারেই এদিন সূচক ঊর্ধ্বমুখী ছিল শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। সকালেই সূচকের উত্থান দিয়ে লেনদেন শুরু হয় এবং দিনের শেষভাগে এসে সেই ধারা আরও জোরালো হয়। সাম্প্রতিক সময়ে শুরুতে বাড়লেও শেষদিকে সূচক পড়ে যাওয়ার যে প্রবণতা ছিল, গতকাল সোমবার তার ব্যতিক্রম দেখা গেছে।
দিন শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৭২.৩৪ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ৫৩৪.০৪ পয়েন্টে। ডিএসই শরিয়াহ সূচক বেড়েছে ১০.০৬ পয়েন্ট, অবস্থান ১ হাজার ৯৯.৭১ পয়েন্টে। আর ব্লু-চিপ সূচক ডিএস৩০ ১৮.৪৭ পয়েন্ট বেড়ে ২ হাজার ১৩৫.৮৩ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে।
ডিএসইতে মোট ৩৯৪টি কোম্পানির শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ৩৪০টির দাম বেড়েছে, ৪২টির কমেছে এবং ১২টির দর অপরিবর্তিত ছিল। লেনদেনের পরিমাণও আগের দিনের তুলনায় কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এদিন মোট লেনদেন হয়েছে ৭৭৯ কোটি ৯৫ লাখ টাকার, যা আগের কর্মদিবসে ছিল ৭৭৫ কোটি ৫৬ লাখ টাকা।
অন্যদিকে সিএসইতে সিএসসিএক্স সূচক ৭৬.৬৮ পয়েন্ট বেড়ে ৯ হাজার ৪৯৮.৬১ পয়েন্টে অবস্থান করছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ১৪৮.৭৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ৫০০.০৪ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। শরিয়াহ সূচক ৫.০৭ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৯২৭.২৭ পয়েন্টে এবং সিএসই-৩০ সূচক ৪১.২৩ পয়েন্ট বেড়ে ১৩ হাজার ৯৪৯.৮৫ পয়েন্টে পৌঁছেছে।
সিএসইতে মোট ১৯৭টি কোম্পানির শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়। এর মধ্যে ১৩৯টির দর বেড়েছে, ৪৪টির কমেছে এবং ১৪টি অপরিবর্তিত রয়েছে। লেনদেনের পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে। এদিন সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ১৯ কোটি ৪৪ লাখ টাকার, যেখানে আগের কর্মদিবসে লেনদেন হয়েছিল ১২ কোটি ৭৮ লাখ টাকার।