
ইসলামী রাষ্ট্রব্যবস্থার ছত্রছায়া ছাড়া ইসলামকে পুরোপুরি অনুসরণ করা এবং খাঁটি মুসলমান হিসেবে জীবনযাপন করার সুযোগ নেই। নামাজ, রোজা, হজ, জাকাতের মতোই অন্যায় অপকর্মের শাস্তি হিসেবে হুদুদ বা ইসলামী দণ্ডবিধি প্রয়োগ করা, সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ, বহিঃশত্রুর বিরুদ্ধে জিহাদের মতো আল্লাহ ও রাসুলের আদেশ ও নিষেধসমূহ কার্যকর করাও ফরজ। সবচেয়ে বড় কথা এগুলোর বাস্তবায়ন ও কার্যকর করার জন্য রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা ও জাতীয়ভাবে স্বীকৃত বিচার ব্যবস্থা বলবৎ থাকতে হবে। ইসলামী রাষ্ট্র ও সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য শুধু দাবি নয়, এর জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলার পূর্ব প্রস্তুতি থাকতে হবে। গতকাল ফার্মগেঁস্থ বায়তুশ শরফ ইসলামী গবেষণা কেন্দ্র আয়োজিত ‘ইসলামের দৃষ্টিতে রাষ্ট্র ও সরকার কাঠামো’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা উপরোক্ত অভিমত ব্যক্ত করেন। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দৈনিক আমার দেশ সম্পাদক ড. মাহমুদুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মুহিব উল্যাহ সিদ্দিকী। প্রধান অতিথির ভাষণে ড. মাহমুদুর রহমান বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারণাকে বাস্তব রূপ দিতে হলে বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জসমূহ কীভাবে মোকাবিলা করা হবে তার জবাব খুঁজে বের করতে হবে। পররাষ্ট্রনীতি বিশেষত বহির্বিশ্বের সঙ্গে অর্থিক লেনদেনে সুদি লেনদেনের মতো বিষয়গুলোর সুরাহা করতে হবে। বায়তুশ শরফ ইসলামী গবেষণা কেন্দ্র ঢাকার পরিচালক ড. মুহাম্মদ ঈসা শাহেদীর সঞ্চালনায় এই সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন লেখক, চিন্তক ও বিদগ্ধ আলেম মুসা আল হাফিজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ড. আব্দুল লতিফ মাসুম, আল আরাফা ইসলামী ব্যাংক পিএলসির সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ আব্দুল মালেক মোল্লা ও সিবিএম গ্রুপের ডাইরেক্টর আলহাজ নাছির উদ্দীন। আলোচনায় অংশ নেন মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ডক্টর মাহবুবুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বায়তুশ শরফ ইসলামী গবেষণা প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ড. মুহাম্মদ ওয়ালী উল্লাহ মঈন এবং ড. আবু হানিফ খান, জনাব আবদুল আহাদ নূর, ড. মনোয়ার শামসী। মোনাজাত পরিচালনা করেন শায়খ উসমান গণি। সূত্র : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি