
নির্বাচনি প্রচারণায় সারাদেশে নারীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে ও জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবিতে রাজধানীতে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মহিলা শাখা। বিক্ষোভ পরবর্তী সমাবেশে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন বলেন, ‘তারাই গুপ্ত যারা ১৯ বছর বিদেশে পালিয়ে ছিল।’ তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর কোনো নেতাকর্মী বিদেশে পালিয়ে ছিল না। বরং জেল-জুলুম, নির্যাতন সহ্য করে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন চালিয়েছে। এই আন্দোলনে জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষ ১১ জন নেতাসহ অসংখ্য নেতাকর্মী শাহাদাত বরণ করেছেন। হাজার হাজার নেতাকর্মীর জীবন ও রক্তের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদের পতনের পর যারা দেশে এসেছে তারাই আসল গুপ্ত।
আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন বলেন, জামায়াতে ইসলামীকে সামনে আসতে দেওয়া হয়নি; কিন্তু আমরা থেমে যাইনি। আমরা আমাদের কার্যক্রম পরিচালনা করেই জনগণের আস্থা অর্জন করেছি। এদেশের জনগণ দেখেছে কারা জনগণের পাশে ছিল আর কারা লন্ডনে পালিয়ে ছিল। এ সময় তিনি বলেন, যারা বলে জামায়াতের নারী কর্মী নেই, তারা জামায়াতের নারী কর্মীদের দেখলে পালিয়ে যাবে। কারণ জামায়াতের নারী সংগঠন অত্যন্ত বৃহৎ এবং শক্তিশালী। নারীদের ওপর হামলা চালিয়ে তাদের হিজাব খুলে ফেলার ঘটনা কোনো সভ্য সমাজ মেনে নিতে পারে না উল্লেখ করে আয়েশা সিদ্দিকা বলেন, বিএনপির কর্মীরা নারীদের সঙ্গে এমন সব অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ ভাষা ব্যবহার করে যা আমরা উচ্চারণ করতে পারি না। দুঃখের বিষয়, বিএনপির শীর্ষ পর্যায় থেকে তৃণমূলের এমন কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। এতে বোঝা যায় বিএনপি দলগতভাবে নারীদের অধিকার হরণ করার মিশনে নেমেছে।