ঢাকা শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

চবি শামসুন নাহার হলে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

চবি শামসুন নাহার হলে বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শামসুন নাহার হল সংসদের আয়োজনে এবং শামসুন নাহার হল প্রশাসনের সহযোগিতায় 'শামসুন নাহার হল ফেস্ট' এবং বিদায়ী ও কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টায় হলের টেনিস কোর্ট প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে হলের বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা এবং কৃতী শিক্ষার্থীদের বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন এবং উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য ও সভাপতিত্ব করেন শামসুন নাহার হলের প্রভোস্ট ও হল সংসদের সভাপতি প্রফেসর ড. বেগম ইসমত আরা হক। সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন শাহজালাল হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. জহুরুল আলম, চবি প্রক্টর প্রফেসর ড. মো. কামরুল হোসেন এবং চাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সাঈদ বিন হাবিব। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন শামসুন নাহার হল সংসদের ভিপি ফাইরোজ ফেরদৌস। পুরো অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মোনতাহিনা জান্নাত স্বর্ণা ও শ্রাবনী চৌধুরী মম। হল সংসদের জিএস সাদিয়া বিনতে সিদ্দিক শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল্-ফোরকান সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের হল শুধু আবাসনের জায়গা নয়; হল হবে মুক্তবুদ্ধির চর্চা, জ্ঞানচর্চা ও পারস্পরিক সম্প্রীতির কেন্দ্র। বৈচিত্র্যই এখানে আমাদের বড় শক্তি। আমরা চাই, হলগুলোতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ুক, সুস্থ প্রতিযোগিতা গড়ে উঠুক এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের প্রসার ঘটুক। হলগুলোর সংস্কার ও উন্নয়নে আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি। প্রশাসনিক কার্যক্রমে অটোমেশন বা ডিজিটাল নথি ব্যবস্থাপনা চালুর পাশাপাশি ছাত্রী হল নির্মাণ, টিএসসি প্রতিষ্ঠা এবং ছাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াতের ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

উপাচার্য বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, নেতৃত্বের চর্চা, লেখালেখি ও অন্যান্য সহশিক্ষা কার্যক্রমেও অংশ নিতে হবে।

বিদায়ী শিক্ষার্থীদের সফলতা কামনা করেন তিনি এবং বর্তমানদের জন্য শুভ কামনা জানান। উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন বলেন, পড়াশোনার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, পারস্পরিক সম্পর্ক ও সুন্দর স্মৃতি গড়ে তোলার দিকেও মনোযোগ দিন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবন শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠে সীমাবদ্ধ নয়। হল, বন্ধুত্ব, সহমর্মিতা এবং পারস্পরিক সহযোগিতার মধ্য দিয়েও আমরা অনেক কিছু শিখি। শামসুন নাহার হলের সব ছাত্রীর সুন্দর, নিরাপদ ও সাফল্যমণ্ডিত জীবন কামনা করেন তিনি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত