
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে দেশের ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট খাত উপেক্ষিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি মোহাম্মদ আমিনুল হাকিম। তিনি বলেন, এই বাজেটে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি কিছুই পায়নি।
কোনো ধরনের কর অবকাশ কিংবা কর ছাড়ের সংবাদ আমরা পাইনি। আমাদের প্রত্যাশা কিংবা প্রস্তাবনার কোনো প্রতিফলন ঘটেনি বাজেটে। গতকাল রোববার ঢাকার বনানীতে আইএসপিএবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। লাইসেন্সধারী আইএসপি প্রতিষ্ঠানে সন্ত্রাসী হামলা ও সহিংসতার প্রতিবাদে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সংগঠনটি।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইএসপিএবি সভাপতি বলেন, বাজেটে আমরা চেয়েছিলাম, প্রান্তিক পর্যায়ের গ্রাহকদের যে ৫ শতাংশ ভ্যাট রয়েছে, সেটি যেন মওকুফ করা হয়।
এটি আমাদের দাবি ছিলো। কিন্তু সেটি আমরা পাইনি। আমরা স্পষ্টভাবে চেয়েছিলাম আমাদের শিল্পকে আইটি এনাভল সার্ভিস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হোক, সেটা দেওয়া হয়নি। আমরা আমাদের নেটওয়ার্কে যেসব যন্ত্রপাতি ব্যবহার করি—রাউটার, সুইচ ও অপটিক্যাল ফাইভারসহ বিভিন্ন উপকরণে কর অবকাশ চেয়েছিলাম, যে ধরনের ভ্যাট আছে তা কমিয়ে আনার প্রস্তাব দিয়েছিলাম।
সেখানে কোনো ধরনের নতুন কোনো ছাড় দেয়নি। আগের মতোই উচ্চকর রয়ে গেছে। প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ফ্রিল্যান্সার ও ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার ঘোষণা থাকলেও দেশের ফিক্সড ব্রডব্যান্ড খাতের জন্য কোনো উল্লেখযোগ্য কর অবকাশ বা প্রণোদনা রাখা হয়নি বলে অভিযোগ করেন আইএসপিএবি সভাপতি।
তিনি বলেন, ডিজিটাল অর্থনীতি ও ফ্রিল্যান্সিং বিকাশে নিরবচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট সংযোগ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাজেটে সেই মৌলিক অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি।