
সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবস গত রোববার শেয়ারবাজারে বড় উত্থান দেখা দেওয়ার পর দ্বিতীয় কার্যদিবস গতকাল সোমবারও মূল্যসূচক বেড়েছে। তবে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম বাড়ার থেকে দাম কমার তালিকায় নাম লিখিয়েছে বেশি প্রতিষ্ঠান। মূলত বড় মূলধনের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ায় সূচকের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার দেখা মিলেছে।
অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম বাড়ার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান থাকার পাশাপাশি মূল্যসূচকও বেড়েছে। দাম বাড়া-কমার ক্ষেত্রে দুই বাজারে দু’রকম চিত্র থাকলেও উভয় বাজারে লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার দেখা মিলে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ায় লেনদেনের প্রথম দুই ঘণ্টায় সূচকের মোটামুটি বড় উত্থান হয়।
কিন্তু লেনদেনের শেষদিকে এক শ্রেণির বিনিয়োগকারীরা শেয়ার বিক্রির চাপ বাড়ালে বেশি কিছু প্রতিষ্ঠানের দরপতন হয়। তবে এর মধ্যেও বড় মূলধনের বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান দাম বাড়ার প্রবণতা ধরে রাখে। ফলে দাম কমার তালিকা বড় হলেও সবকটি মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৪৫টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৮৪টির এবং ৬৬টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অপরদিকে, বাছাই করা ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২০টির শেয়ার দাম বেড়েছে এবং ১০টির দাম কমেছে।
এদিকে ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৬৮টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৯৯টির দাম কমেছে এবং ৩৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ২৯টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৪১টির এবং ৪টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৪৮টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৪৪টির এবং ২৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।