
সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস গতকাল বৃহস্পতিবার প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) দাম বাড়ার থেকে দাম কমার তালিকায় বেশি প্রতিষ্ঠান থাকলেও মূল্য সূচক বেড়েছে। বেশিরভাগ ভালো কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ায় এই ঊর্ধ্বমুখীতার দেখা মিলেছে। অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) দাম বাড়া ও কমার তালিকায় প্রায় সমান প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তবে ভালো ও বড় মূলধনের বেশিরভাগ কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ায় মূল্য সূচকের বড় উত্থান হয়েছে। এর মাধ্যমে চলতি সপ্তাহে লেনদেন হওয়া পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে চার কার্যদিবসেই শেয়ারবাজারে ঊর্ধ্বমুখীতার দেখা মিললো।
এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হয় বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম বাড়ার মাধ্যমে। ফলে লেনদেনের শুরুতে সূচকের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার দেখা মিলে। তবে লেনদেনের সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দুর্বল মৌলভিত্তির কোম্পানির শেয়ার দাম কমতে থাকে। বিপরীতে দাম বাড়ার প্রবণতা বাড়ে ভালো কোম্পানির শেয়ারের। যা অব্যাহত থাকে লেনদেনের শেষ পর্যন্ত। ফলে দাম কমার তালিকা বড় হলেও মূল্য সূচকের মোটামুটি বড় উত্থান হয়েছে। দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১৭৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৮৫টির এবং ৩৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর বাছাই করা ৩০টি কোম্পানির মধ্যে ২৬টির শেয়ার দাম বেড়েছে এবং ৪টির দাম কমেছে।
এদিকে ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ১২২টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে ৬৯টির দাম কমেছে এবং ১০টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ২১টি কোম্পানির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৫১টির এবং ৩টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৩টির শেয়ার দাম বেড়েছে। বিপরীতে দাম কমেছে ৬৫টির এবং ২২টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। আর তালিকাভুক্ত মিউচুয়াল ফান্ডগুলোর মধ্যে ৩০টির দাম বেড়েছে। বিপরীতে দুটির দাম কমেছে এবং দুটির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার পরও ডিএসইর প্রধান মূল্য সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৩৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৬৬১ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।