ঢাকা সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

ফুটসাল নিয়ে আশাবাদী অধিনায়ক সাবিনা

ফুটসাল নিয়ে আশাবাদী অধিনায়ক সাবিনা

থাইল্যান্ডের ব্যাংককে গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপের খেলা। এই টুর্নামেন্টে অংশ নিতে এরইমধ্যে থাইল্যান্ডে গেছেন বাংলাদেশের পুরুষ ও নারী ফুটসাল দল। বাংলাদেশে ফুটসাল খেলাটি এখনও একেবারেই নতুন ও বিকাশমান হলেও এই টুর্নামেন্টের মধ্য দিয়ে নতুন যাত্রার সূচনা করতে যাচ্ছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। গতকাল রোববার ব্যাংককে আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক সাবিনা খাতুন ও ইরানি কোচ সাঈদ খোদারাশি দলের প্রস্তুতি ও প্রত্যাশা নিয়ে কথা বলেন, যেখানে উঠে আসে অভিজ্ঞতার অভাব সত্ত্বেও ভালো করার প্রত্যয়।

সাবিনার জন্য এই টুর্নামেন্ট অবশ্য বিশেষ চ্যালেঞ্জের। দলের একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে ফুটসালে খেলার অভিজ্ঞতা শুধু তার আছে। এছাড়া দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি খেলেছেন ফুটবল, দেশকে দিয়েছেন নেতৃত্ব, দুটি উইমেনস সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ফুটবলের শিরোপা এনে দিয়েছেন। ফুটসালেও নেতৃত্বের ভার উঠেছে তার কাঁধে। দেশের প্রতিনিধিত্ব করার গর্ব নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি পুনরাবৃত্তি করলেন ঢাকায় বলে যাওয়া কথারই। ‘আপনারা জানেন যে আমি ফুটবলে দীর্ঘদিন ধরে খেলেছি এবং ফুটসালটা হচ্ছে আমাদের জন্য একেবারেই নতুন। তবে আমাদের বিশ্বাস আছে টুর্নামেন্টটাতে ভালো কিছু করার এবং দেশের জন্য খেলাটা তো সবসময় গর্বের বিষয় এবং ইনশাআল্লাহ সেটাই আমাদের দৃঢ় লক্ষ্য। প্রস্তুতি বেশ আলহামদুলিল্লাহ ভালো ছিল।’ কোচ এরইমধ্যে উল্লেখ করেছেন যে, আমাদের প্রস্তুতির জন্য খুব অল্প সময় ছিল এবং দলের অধিকাংশ সদস্যই নতুন। তাই এটি আমাদের জন্য শুরুর অংশ। আলহামদুলিল্লাহ, প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। সাত দলের এই আসরে সবাইকে একই মানের মনে হচ্ছে খোদারাহমির। এই ইরানি কোচের কথাতেও ঢাকায় বলা কথারই প্রতিধ্বনি। থাইল্যান্ডে গিয়েও তিনি ফুটসাল নিয়ে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের বড় পরিসরে ভাবনার প্রয়োজনের কথা উল্লেখ করলেন। ‘এই আয়োজনের জন্য এএফসি, এএফএফ এবং সাফকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশে নারী দলের জন্য দক্ষিণ এশিয়ায় এটিই প্রথম সাফ (ফুটসাল) আয়োজন। আমার মনে হয় সব দলই সমান পর্যায়ের; কারণ, এটি সবার জন্যই নতুন। খেলোয়াড় নির্বাচনের জন্য আমরা মাত্র এক মাস সময় পেয়েছি এবং আপনারা জানেন যে আমাদের সব খেলোয়াড়ই মূলত ফুটবলার, কারণ বাংলাদেশে কোনো ফুটসাল নেই।’

তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি মিয়ানমারে গিয়েছি, যা এখন বাংলাদেশের মতোই। আমি এই দেশের (বাংলাদেশ) জন্য পাঁচ বছরের একটি পরিকল্পনা চাই। আমি যখন মিয়ানমারে গিয়েছিলাম তখন তাদের র‍্যাঙ্কিং ছিল ১০৩, এখন আলহামদুলিল্লাহ তাদের র‍্যাঙ্কিং সম্ভবত ৬৯ বা ৬৮। আমি খুবই আনন্দিত। শুরুর জন্য সব দেশেরই ভালো পরিকল্পনা এবং ভালো ভিত্তি প্রয়োজন। আমি আশা করি ভবিষ্যতে সাফ কোয়ালিফিকেশন ধাপ পেরিয়ে ইনশাআল্লাহ বিশ্বকাপে যাবে। আমি আশাবাদী কারণ এখানে সম্ভাবনা আছে।’

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত