
এসএ টোয়েন্টি খেলতে কেন উইলিয়ামসন ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকায়। প্রাথমিক পর্ব থেকে তার দলের বিদায় নিশ্চিত হয় সোমবার। ব্যস, শুরু হয় তার নতুন অভিযান। ডারবান থেকে তিনটি ট্র্যানজিট আর দীর্ঘ পথ পেরিয়ে প্রায় ২৪ ঘণ্টার ভ্রমণে পা রাখেন তিনি ঢাকায়। এই যে এত লম্বা ভ্রমণের পর বিপিএল খেলতে আসা, সেটি শেষ হয়ে যেতে পারত এক ম্যাচ খেলেই। তবু তিনি এসেছেন। কারণ সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার জন্যই তাকে পেতে প্রবল আগ্রহী ছিল রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। সকালে ঢাকায় এসে সন্ধ্যায় ম্যাচ খেলতে নেমে যান উইলিয়ামসন। দলের বিপর্যয়ে দারুণ গুরুত্বপূর্ণ এক জুটি গড়েন স্বদেশি জিমি নিশামের সঙ্গে। ম্যাচের ভাগ্য গড়ে দেওয়া বড় ভূমিকা রাখে সেই জুটি। ১২ রানে জিতে ফাইনালে পৌঁছে যায় রাজশাহী। নিউ জিল্যান্ডের সর্বকালের সেরা ব্যাটসম্যান কতটা পেশাদার মানসিকতার, সেটি তো পারফরম্যান্সেই ফুটে উঠেছে। ম্যাচের পর কোচ হান্নান সরকার শোনালেন ৩৫ বছর বয়সী তারকার পেশাদারিত্বের আরেকটি গল্প।
‘নিউ জিল্যান্ডের ক্রিকেটারদের আমরা সবসময় প্রশংসা করি, তাদের ক্যারেক্টারের জন্য, খুব সফট এবং স্মার্ট হয়।
কেন (উইলিয়ামসন) কিন্তু আজকে সকাল ৯টা-সাড়ে ৯টার দিকে হোটেলে পৌঁছেছে। পৌঁছানোর পরে আমাদের টিম মিটিং ছিল, সেটাতেও যোগ দিয়ছে। এরপর সে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য রুমে গেছে। আমি এজন্যই কথাটা বললাম, খুবই পেশাদার একজন ক্রিকেটার।’
রাজশাহী যখন উইলিয়ামসনকে আনার ঘোষণা দিল, কিছু সংশয়ের জায়গা তৈরি হয়েছিল। যে সময়ে তাকে আনা হচ্ছে, এক ম্যাচেই শেষ হয়ে যেতে পারে তার অভিযান।