
আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে যাওয়ার পর স্থবির হয়ে পড়া ক্রিকেটে প্রাণ ফেরাতে ঘরোয়া টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। সরকারের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি থেকে এই আসর শুরুর প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিসিবির একজন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকের পরই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ভারত ও শ্রীলঙ্কায় আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে যাওয়া টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করায় থমকে যায় মিরপুরের ক্রিকেট কার্যক্রম। শুরুতে বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগ (বিসিএল) এগিয়ে আনার কথা ভাবা হলেও এখন একটি স্বতন্ত্র বিকল্প টুর্নামেন্ট আয়োজনের দিকেই হাঁটছে বোর্ড। বিষয়টি নিয়ে বিসিবির কেউ নয়, গত বৃহস্পতিবার কথা বলেছেন যুব ও ক্রীড়া সচিব মাহবুব-উল-আলম। এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জানান, নিরাপত্তা ইস্যুতে বিশ্বকাপ মিস করায় খেলোয়াড়দের আর্থিক ক্ষতিপূরণের বিষয়টি বিবেচনায় আছে, ‘নিরাপত্তার বিষয়টি আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলেও আমরা আর্থিক ক্ষতিপূরণের দিকটি নিয়ে আলোচনা করেছি। বিশ্বকাপের সময়সীমার মধ্যেই দেশের মাটিতে একটি বিকল্প টুর্নামেন্ট আয়োজনের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যেখানে টি-টোয়েন্টি দলের সদস্য ও দেশের অন্যান্য সেরা ক্রিকেটাররা খেলবেন।’
বিসিবির একজন পরিচালক জানিয়েছেন, আগামী ১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে টুর্নামেন্টের সব কিছু চূড়ান্ত করা হবে। তিনটি দল নিয়ে এই আসরের সব ম্যাচ মিরপুরে হওয়ার কথা রয়েছে। জাতীয় নির্বাচনের কারণে বিসিএল এর সূচি আপাতত ঝুলে থাকলেও নিরাপত্তা ছাড়পত্র পেলে এই ছোট টুর্নামেন্টটি আয়োজনে বাধা দেখছে না বোর্ড। বিসিবি সূত্র জানায়, এই আয়োজনটি টুর্নামেন্ট কমিটির প্রথাগত কাঠামোর বাইরে থেকে তদারকি করা হচ্ছে। এদিকে, জাতীয় দলের ক্রিকেটারদের আগামী ১ ফেব্রুয়ারি ফিটনেস টেস্টের জন্য ডাকা হয়েছে। মিরপুরে বিপ টেস্টসহ যাবতীয় পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পাকিস্তানের সঙ্গে ঘরের মাঠে আগামী ১২, ১৪ ও ১৬ মার্চ তিনটি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ। এরপর মে মাসে অনুষ্ঠিত হবে দুই টেস্টের সিরিজ।