ঢাকা রোববার, ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

রাজশাহী ও বগুড়ায় বিপিএল হওয়া উচিত

রাজশাহী ও বগুড়ায় বিপিএল হওয়া উচিত

ক্রিকেট সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার কথা বললেও এবার বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) হয়েছে মাত্র দুই ভেন্যুতে। চট্টগ্রাম তালিকায় থাকলেও পরে বাদ দেওয়া হয়। ফলে সিলেটে উদ্বোধনীসহ একাধিক পর্বের খেলা হয়। ফাইনালসহ পরের অংশ হয়েছে ঢাকায়। তবে জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমানে টেস্ট খেলোয়াড় মুশফিকুর রহমি মনে করেন বিপিএল রাজশাহী ও বগুড়াতে হওয়া উচিত। বিপিএলের দ্বাদশ আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে রাজশাহী ওয়ারিয়র্স। আর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর গতকাল সোমবার নিজ রাজশাহী শহরে ট্রফিসহ গেছেন দলটির সকল সদস্যরা। উপস্থিত ছিলেন নাজমুল হোসেন শান্ত, মুশফিকুর রহিমরাও। ছাদখোলা বাসে রোড-শো শেষে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন দলটির অভিজ্ঞ ক্রিকেটার মুশফিক। পরে জানান রাজশাহী কিংবা বগুড়াতে বিপিএল ম্যাচ আয়োজন নিয়ে নিজের চাওয়ার কথা। মুশফিক বলেন, ‘আমি মনে করি, রাজশাহী ও বগুড়া; দুই মাঠেই বিপিএল হওয়া উচিত। বিপিএল আয়োজনের জন্য যে যে প্রস্তুতি দরকার, আশা করি বিসিবি সেগুলো দেখবে। হাতে এখনও এক বছর সময় আছে। রাজশাহী ও বগুড়ায় খেলা হলে দর্শকসংখ্যা আরও বেশি হবে।’ মুশফিকদের দেখতে এদিন রাজশাহীতে সমর্থকদের ছিল উপচেপড়া ভিড়। শহরের যেখানেই ট্রফি নিয়ে রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের ক্রিকেটাররা গেছেন, সবখানেই ছিল দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রে। দর্শকদের ভালোবাসা পেয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত মুশফিক। বিপিএলের ট্রফি রাজশাহীবাসীর প্রাপ্য ছিল বলে মনে করেন উইকেটকিপার এই ব্যাটার। মুশফিক বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ সবার ভালোবাসা পেয়ে ভালো লেগেছে। এটা অবশ্যই রাজশাহীবাসীর প্রাপ্য ছিল। অনেক দিন পর ট্রফি জিতেছে। নাবিল গ্রুপের জন্য বড় পাওয়া।’

এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ওয়ারিয়র্স বাহিনী হযরত শাহ মখদুম (রহ.) বিমানবন্দরে পৌঁছায়। সেখানে আগে থেকেই একটি ছাদখোলা বাস তাদের বরণ করে নেওয়ার জন্য অপেক্ষায় ছিল। বিপিএলের নতুন নকশার ট্রফি নিয়ে খেলোয়াড়রা বাসে ওঠার পর শুরু হয় বিজয় মিছিল— উৎসবের নগরীতে পরিণত হয় রাজশাহী। পুলিশি পাহারায় বাসটি যখন শহরের ভেতর দিয়ে এগোচ্ছিল, তখন বহু ভক্ত-সমর্থক মোটরসাইকেলে চড়ে বিজয় মিছিলে অংশ নেন। তাদের হাতে ছিল ‘গর্বের জয়’, ‘বীরের শহর’ ও ‘জয় এসেছে, কাপ উঠেছে’ লেখাসহ বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড।

আর বাসের সামনে বড় করে লেখা ছিল, ‘কাপ আইছে বাড়িতে’। মিছিলটি বিমানবন্দর থেকে রাজশাহী-নওগাঁ মহাসড়ক হয়ে আমচত্বর, বিমান চত্বর ও রুয়েট ফ্লাইওভার পার হয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোডে পৌঁছায়।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত