ঢাকা শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৮ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

তামিম ইকবালকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত খালেদ মাহমুদ

তামিম ইকবালকে সহযোগিতা করতে প্রস্তুত খালেদ মাহমুদ

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকের দায়িত্বে বেশ অনেক বছর ছিলেন খালেদ মাহমুদ সুজন। এছাড়া ক্রিকেটারদের সঙ্গে কোচিংয়েও যুক্ত রয়েছেন তিনি। তবে ২০২৪ সালের পর থেকে আর বিসিবিতে যুক্ত নন সুজন। বর্তমান এডহক কমিটির সভাপতি তামিম ইকবাল যদি আবারও ডাকেন, তাহলে কাজ করতে চান তিনি। ২১ মাস পর তামিমের ডাকে গত বৃহস্পতিবার সুজন বিসিবিতে গিয়েছিলেন। গতকাল শুক্রবার গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমি ক্রিকেটের মানুষ, ১৩-১৪ বছর বয়স থেকে ক্রিকেট খেলছি, ক্রিকেট মাঠ ছাড়িনি। ক্রিকেট খেলা ছাড়ার পর কোচিংয়ে এসেছি, সংগঠক হিসেবে আমি এত বছর ধরে কাজ করছি। আমার অভিজ্ঞতা যদি তামিম চায়, অবশ্যই এটা না করার কিছু নেই।’

কোনো রাগ-অভিমান ছিল কি না প্রশ্নে তার কথা, ‘আমার আসলে রাগ-অভিমান ছিল না। দেশের প্রেক্ষাপটই এরকম, বলে আসলে লাভ নেই। আমাদেরকে এটা মেনে নিতে হবে। আমরা কী কাজ করতে পেরেছি বিসিবিতে, ভালো কিছু করতে পেরেছি কিনা সেটা গুরুত্বপূর্ণ।’ সুজন আরও বলেন, ‘আমি মনে করি আমার মেয়াদে আমি ক্রিকেটের জন্য শতভাগ এফোর্ট দিয়ে চেষ্টা করেছি ভালো কাজ করার। পেরেছি নাকি পারিনি সেটা বিচার করার দায়িত্ব মানুষের। আমি আমার ঢোল পেটালে তো হবে না।’ তামিমের পরিকল্পনা নিয়েও মত দিলেন তিনি, ‘আমি মনে করি তামিমকে অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তামিম মনে হয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবে এবং সবার সঙ্গে মিলে কাজ করতে পারবে। তামিমের ইচ্ছেও সেটা, যে ও একা কিছু করতে চায় না। সবাইকে নিয়ে কীভাবে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে এগিয়ে নিয়ে যাবে ওর সেই চিন্তা আছে।’

তামিমের সঙ্গে কী কথা হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কোনো মিটিংয়ে যাইনি। আসলে তামিম ফোন করে বলেছিল আপনি বোর্ডে আসেন। আমি জিজ্ঞেস করলাম কেন সিসিডিএমের মিটিংয়ে নাকি? ও বলল মিটিং না, আপনি আমার সঙ্গে দেখা করতে আসেন। আপনার সঙ্গে আমার অনেক কথা আছে।’ তামিমের ডাক ফেরাতে পারেননি সুজন, ‘এমনিতেও ওর সঙ্গে যোগাযোগ ছিলই। কিন্তু এই প্রথম বোর্ড ছাড়ার পর কোনো সভাপতি ফোন করে যখন ডাকছে, তখন তো আমি না করতে পারি না। এজন্যই যাওয়া। প্রায় ২১ মাস পর মনে হয় বোর্ডে গেলাম। মূলত, তামিমের সঙ্গে দেখা করতে গেছি।’

ক্রিকেট নিয়েই কথা হয়েছে বললেন সুজন, ‘ক্রিকেট নিয়েই কথা হচ্ছিল। দিন শেষে যখন আমরা ক্রিকেটাররা বসি, তখন ক্রিকেট নিয়েই কথা হয়। ওইখানে আরও অনেক ক্রিকেটার ছিল। শাহরিয়ার নাফিস, মিঠুন, রাজ, মুকুল, রাহুল, নান্নু ভাই ছিল, আরও অনেকে ছিল।’ তামিমের সভাপতিত্ব নিয়ে ইতিবাচক তিনি, ‘যেহেতু তামিম অনেক বেশি রোমাঞ্চিত, অবশ্যই ও ভালো কিছু করতে চায়। আমি বিশ্বাস করি আমরা একজন ভালো সভাপতি পাব। সত্যি কথা যে কাজগুলো আমরা এতদিন মুখে মুখে বলেছি কিন্তু করি নাই। তামিম সেগুলো করে দেখাবে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমি তামিমকে ছোটবেলা থেকে দেখে আসছি। ও ক্রিকেট নিয়ে যতটা সিরিয়াস ছিল, অনুশীলন নিয়ে যতটা সিরিয়াস ছিল আমার মনে হয় ওই স্পিরিটটা এখানেও (বিসিবি সভাপতি হিসেবে) বজায় রাখছে। ও খুবই সিরিয়াস।’

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত