
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে ক্রীড়া খাতে ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। ক্রীড়া খাতকে শুধু বিনোদন নয়, বরং ক্রিয়েটিভ অর্থনীতির অধীনে আয় ও কর্মসংস্থানমুখী একটি পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক খাত হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্য। বর্তমান সরকার খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে ৩০০ জন ক্রীড়াবিদকে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘আমরা ৬৪টি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছি, সেটির অংশ হিসেবে এরইমধ্যে ১০টি জেলায় স্পোর্টস ভিলেজের প্রাথমিক নকশা প্রস্তুত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্পোর্টস ডিপ্লোম্যাসি জোরদারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, ‘প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী এরই মধ্যে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ১২-১৪ বছরের প্রতিভাবান ক্রীড়া শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হবে। এতে ফুটবল, ক্রিকেট, কাবাডি, অ্যাথলেটিকস, ব্যাডমিন্টন, দাবা, সাঁতার ও মার্শাল আর্ট, মোট ৮টি খেলা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’ তার পরই অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসে সারা দেশ থেকে ১ লাখ ২১ হাজার ৪৯২ জন কিশোর ও ৪৭ হাজার ১৩০ জন কিশোরীসহ মোট ১ লাখ ৬৮ হাজার ৬২২ জন খেলোয়াড় নিবন্ধন করেছে। এ লক্ষ্যে আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আমি ২০০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করছি। প্রতিটি শিক্ষার্থীকে অন্তত একটি খেলাধুলায় অংশগ্রহণের সুযোগ নিশ্চিতকরণে বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হবে।