
কোয়ার্টার ফাইনালে ক্যামেরুনকে ২-০ গোলে হারিয়ে আফ্রিকা কাপ অব নেশন্সে (আফকন) জয়ের স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল স্বাগতিক মরক্কো। ২০০৪ সালে তিউনিসিয়ার কাছে ফাইনালে হারের পর এবার সেমিফাইনালে উঠলো তারা।
রাবাতের প্রিন্স মৌলে আব্দেল্লা স্টেডিয়ামে ৬৪ হাজার ভক্তদের সামনে উজ্জীবিত পারফরম্যান্স করেছে মরক্কো। আফকনে পাঁচ ম্যাচে পঞ্চম গোল করে মরক্কোকে এগিয়ে দেন রিয়াল মাদ্রিদ উইঙ্গার ব্রাহিম দিয়াজ। ইসমাইল সাইবারি দ্বিতীয়ার্ধে জয় নিশ্চিত করেন।
মরক্কোর ইতিহাসে প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে আফকনের এক আসরে পাঁচ গোল করলেন দিয়াজ। শেষ ৫৭ বছরে একমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে এই টুর্নামেন্টের প্রথম পাঁচ ম্যাচে গোলের কীর্তি গড়লেন তিনি।
আজ (শনিবার) আলজেরিয়া ও নাইজেরিয়ার মধ্যকার ম্যাচ বিজয়ীর বিপক্ষে সেমিফাইনাল খেলবে মরক্কো। ঐতিহাসিক জয়ের পর তাদের কোচ ওয়ালিদ রেগ্রাগুই বলেছেন, ‘এক সময়ে একটা করে ম্যাচ ধরে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। এখনো আমরা কিছুই করিনি।’ ২২ বছর পর সেমিফাইনালে উঠে সতর্ক মরক্কো, কোচ বললেন, ‘২২ বছর ধরে মরক্কানরা আফকনে তাদের দলকে দেখেনি। এটা তাদের প্রাপ্য কিন্তু আমাদের পা মাটিতে রাখতে হবে, এমনকি আরও ঐতিহাসিক বানাতে হবে এই অর্জনকে।’
আফ্রিকার শীর্ষ র্যাংকিংধারী দল মরক্কো, ২০২২ সালের বিশ্বকাপের সেমিফাইনালও খেলেছে তারা। নিজ ভক্তদের সামনে ট্রফি জেতারও একটা অদৃশ্য চাপ আছে। তারা চাপ সামলাতে পারবে কি না সেটা নিয়ে সংশয় থাকলেও তারা কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য পূরণের পথেই হাঁটছে। ২০০৪ সালের ফাইনালে তিউনিসিয়ার কাছে হারের পর প্রথমবার সেমিফাইনালে তারা। শেষবার আয়োজক হিসেবে আফকনে তারা ১৯৮৮ সালের সেমিফাইনালে হেরেছিল ক্যামেরুনের কাছে। কিন্তু এবার সেই ফলের পুনরাবৃত্তি হওয়ার কোনো আভাস দেখা যায়নি।
২৬ মিনিটে আশরাফ হাকিমির কর্নার থেকে আয়ুব এল কাবির হেডে বল যায় কাছের পোস্টে। দিয়াজ সহজেই জালে বল ঠেলে দেন। তারপর ৭৪তম মিনিটে সাইবারি স্কোর ২-০ করেন। আব্দে এজ্জালজুলির বাড়ানো বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পিএসভি আইন্দহোভেন মিডফিল্ডার ব্যাকপোস্ট থেকে জালে জড়ান। এখন বুধবারের সেমিফাইনালে খেলার অপেক্ষায় তারা।