
রংপুরের ৬টি সংসদীয় আসনে বৈধ প্রার্থী ৪৪ জন।
রংপুর-১ (গংগাচড়া-সিটির আংশিক) আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন: বিএনপির মোকারম হোসেন সুজন, জামায়াতের মাওলানা রায়হান সিরাজী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এটিএম গোলাম মোস্তফা বাবু, গণঅধিকার পরিষদের হানিফুর রহমান সজিব, বাসদ (মার্কসবাদী) আহসানুল আরেফিন তিতু, জাতীয় নাগরিক পার্টির আল মামুন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিশের মমিনুর রহমান, ইসলামীক ফ্রন্ট বাংলাদেশের মোহাম্মদ আনাস।
রংপুর-২ (বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ) আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন: বিএনপির মোহাম্মদ আলী সরকার, জাতীয় পার্টির সাবেক এমপি আনিছুল ইসলাম মন্ডল, জামায়াতের এটিএম আজহারুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মো. আশরাফ আলী, বাসদ (মার্কসবাদী), জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জেএসডি আজিজুর রহমান।
রংপুর-৩ (সিটি-সদর) আসনে মনোনয়ন বৈধ প্রার্থীরা হলেন: জাতীয় পার্টির গোলাম মোহাম্মদ কাদের, বিএনপির সামসুজ্জামান সামু, জামায়াতের অধ্যাপক মাহবুবার রহমান বেলাল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল, স্বতন্ত্র প্রার্থী তৃতীয় লিঙ্গের আনোয়ারা ইসলাম রানী, বাসদের আব্দুল কুদ্দুস, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নুর আলম সিদ্দিক।
রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন: বিএনপির এমদাদুল হক ভরসা, জাতীয় পার্টির আবু নাসের শাহ মোহাম্মদ মাহবুবার রহমান, জাতীয় নাগরিক কমিটি (এনসিপি) আখতার হোসেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মুহাম্মাদ জাহিদ হাসান, বাসদ (মার্কসবাদী) প্রগতি বর্মন তমা, বাংলাদেশ কংগ্রেসের উজ্জ্বল চন্দ্র রায়, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আবু সাহা।
রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন: বিএনপির মোহাম্মদ গোলাম রব্বানী, জামায়াতের অধ্যাপক গোলাম রব্বানী, জাতীয় পার্টির এসএম ফখরউজ্জামান জাহাঙ্গীর, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের অধ্যাপক গোলজার হোসেন, বাসদ (মার্কসবাদী) বাবুল আখতার, সিপিবি’র আবু হেলাল, বাসদের মমিনুল ইসলাম, নাগরিক ঐক্য এর মোফাখখারুল ইসলাম নবাব, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হুসাইন।
রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে বৈধ প্রার্থীরা হলেন: বিএনপির সাইফুল ইসলাম, জামায়াতের মাওলানা নুরুল আমীন, জাতীয় পার্টির নুরে আলম মিয়া, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা সুলতান মাহমুদ, এবি পার্টি ছাদেকুল ইসলাম, স্বতন্ত্র আবু জাফর মো. জাহিদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মাহবুবুর রহমান।
রংপুর রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল আহসান বলেন, রংপুরের ৬টি সংসদীয় আসনে যাছাই-বাছাই অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যাছাই-বাছাইয়ে ৬টি সংসদীয় আসনের ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন পত্র বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনে বৈধতা ফিরে পাওয়ার জন্য আপিল করতে পারবেন ওই প্রার্থীরা।