
কক্সবাজারে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় পৃথক দুইটি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে আটক ২ জনের বিরুদ্ধে একটি এবং আটক অপর এক নারীর বিরুদ্ধে অপর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার দুপুরে কক্সবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পক্ষে উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোক্তার আহমদ এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম সিরাজী বাদি হয়ে কক্সবাজার সদর থানায় এই মামলা ২টি দায়ের করা হয়েছে বলে জানান কক্সবাজার সদর থানার ওসি মো. ছমি উদ্দিন।
তিনি জানান, পাবলিক পরীক্ষা আইনে উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোক্তার আহমদ বাদি হয়ে দায়ের করা মামলায় একটিতে আটক ফজলুল হক ও জেসমিন আক্তারকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। একই আইনে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আশরাফুল ইসলাম সিরাজী বাদি হয়ে দায়ের করা মামলা অভিযুক্ত করা হয়েছে ফারহানা কামরুলকে।
এর মধ্যে ফজলুল হক কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার উজানটিয়া এলাকার মো. আখতার হোসেনের ছেলে। জেসমিন আক্তার কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালী এলাকার হাবিনুল মান্নানের স্ত্রী।
শুক্রবার পরীক্ষা চলাকালিন সময়ে দক্ষিণ খুরুশকুল কেন্দ্র থেকে সরকারি গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ডিভাইস সহ এই দুই জনকে আটক করে।
অপর মামলায় অভিযুক্ত ফারহানা কামরুল চকরিয়া উপজেলার শাহারঘোনা এলাকার জামাল হোসেনের মেয়ে। তাকে শুক্রবার কক্সবাজার সিটি কলেজ থেকে ডিভাইস সহ আটক করা হয়।
কক্সবাজার সদর থানার ওসি মো. ছমি উদ্দিন জানিয়েছেন, এই ৩ জনকে সংশ্লিষ্ট মামলায় শনিবার বিকালে আদালতে পাঠানো হয়েছে। আদালত তাদের কারাগারে প্রেরণ করেছে।