
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কিশোরগঞ্জ জেলার মোট ৬টি সংসদীয় আসনের ৫টিতে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির প্রার্থীরা। বাকি একটি আসনে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচন করে বিজয়ী হয়েছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী।
কিশোরগঞ্জ-১ (সদর ও হোসেনপুর উপজেলা) আসনে বিএনপির মাজহারুল ইসলাম ১ লাখ ২২ হাজার ৯৪৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলের (রিক্সা) হেদায়াতুল্লাহ হাদী পেয়েছেন ৯৯ হাজার ৪৮৮ ভোট।
এ আসনের মোট ১৮১টি কেন্দ্রের হিসেব মতে মাজহারুল ইসলাম নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ২৩ হাজার ৪৫৮ ভোট বেশি পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-১ আসনে মোট ভোট পড়েছে প্রায় ৪৮ শতাংশ। এ আসনে নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ভোটার ছিল ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার ১৩৭ জন।
কিশোরগঞ্জ-২ (পাকুন্দিয়া-কটিয়াদী) আসনে বিএনপির জালাল উদ্দীন ১ লাখ ৪২ হাজার ৬১৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর শফিকুল ইসলাম মোড়ল পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ৯৬১ ভোট।
এ আসনের মোট ১৭০টি কেন্দ্রের হিসেব মতে জালাল উদ্দিন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ২৪ হাজার ৬৫৫ ভোট বেশি পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-২ আসনে মোট ভোট পড়েছে প্রায় ৫৩ শতাংশ। এ আসনে নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ভোটার ছিল ৫ লক্ষ ৩২ হাজার ৫১৬ জন।
কিশোরগঞ্জ-৩ (করিমগঞ্জ-তাড়াইল) আসনে বিএনপির ওসমান ফারুক ১ লাখ ১১ হাজার ৬৩৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর ডা. জেহাদ খান পেয়েছেন ১ লাখ ১ হাজার ২৭৬ ভোট।
এ আসনের মোট ১৫১টি কেন্দ্রের হিসাব মতে ওসমান ফারুক নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১০ হাজার ৩৬২ ভোট বেশি পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-৩ আসনে মোট ভোট পড়েছে প্রায় ৫১ শতাংশ। এ আসনে নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ভোটার ছিল ৪ লক্ষ ৪৮ হাজার ৬২৫ জন।
কিশোরগঞ্জ-৪ (ইটনা-মিঠামইন-অষ্টগ্রাম) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী ফজলুর রহমান ১ লক্ষ ৩২ হাজার ৫৫৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাড়িপাল্লার প্রার্থী রোকন রেজা শেখ পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৬৪৬ ভোট।
এ আসনের মোট ১৫০টি কেন্দ্রের হিসাব মতে বিজয়ী ফজলুর রহমান নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ৭৬ হাজার ৯০৭ ভোট বেশি পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে মোট ভোট পড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। এ আসনে নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ভোটার ছিল ৪ লক্ষ ৮ হাজার ৩৫২ জন।
কিশোরগঞ্জ-৫ (নিকলী-বাজিতপুর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (বিএনপির বিদ্রোহী) শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল ৭৯ হাজার ২১০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী সৈয়দ এহসানুল হুদা পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট।
এ আসনের মোট ১১৯টি কেন্দ্রের হিসাব মতে শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১৩ হাজার ৯৩ ভোট বেশি পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-৫ আসনে মোট ভোট পড়েছে প্রায় ৫৮ শতাংশ। এ আসনে নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ভোটার ছিল ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার ৫৬৬ জন।
কিশোরগঞ্জ-৬ (ভৈরব-কুলিয়ারচর) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মো. শরীফুল আলম ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮১৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট মনোনীত খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মাওলানা আতাউল্লাহ আমীন রিকশা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪২ হাজার ৫৫৫ ভোট।
এ আসনের মোট ১৪২টি কেন্দ্রের হিসাব মতে মো. শরীফুল আলম নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১ লক্ষ ৪৩ হাজার ২৫৮ ভোট বেশি পেয়েছেন।
কিশোরগঞ্জ-৬ আসনে মোট ভোট পড়েছে প্রায় ৫৮ শতাংশ। এ আসনে নারী-পুরুষ মিলিয়ে মোট ভোটার ছিল ৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৮০৪ জন।