
মাগুরার শ্রীপুরের ছোনগাছা-দোসতিনা গ্রামে সোমবার রাতে দুই গ্রুপের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পাল্টাপাল্টি হামলা ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মাগুরা ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান, শ্রীপুর থানাধীন শ্রীকোল ইউনিয়নের দোসতিনা ও ছোনগাছা গ্রামে সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুটি গ্রুপ বিদ্যমান। একটি গ্রুপের নেতৃত্ব দেন মো. সালেক সর্দার (৬০), অপর গ্রুপের নেতৃত্ব দেন খন্দকার হাবিবুর রহমান হাবিব (৪৫)।
হাবিব গ্রুপের মো. মুকুল (৪০) দোসতিনা বাজারস্থ আলিমের চায়ের দোকানের সামনে পাকা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় সালেক সর্দার গ্রুপের দোসতিনা গ্রামের ফিরোজ সর্দার (৩৫), রাশেদুল সর্দার (৪৫), সজল সর্দার (২৭), জহুর শেখ (৩০) এবং ছোনগাছা গ্রামের রুবেল শেখ (৩০)সহ অজ্ঞাত ৫/৬ জন সামাজিক আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করেন।
এই ঘটনার জের ধরে হাবিব গ্রুপের লোকজন ঢাল-সর্কি ও দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে দোসতিনা বাজারে আসা মাত্রই সালেক সর্দার গ্রুপের লোকজন ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তখন হাবিব গ্রুপের লোকজন ঘটনাস্থলে সালেক সর্দার গ্রুপের সমর্থক দোসতিনা গ্রামের মো. হালিম সর্দার (৪৫) ও খোকন সর্দার (৫৫)-কে দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র দিয়ে মারপিট করে মারাত্মক রক্তাক্ত জখম করেন।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে শ্রীপুর থানা পুলিশ তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। উভয় পক্ষের সামাজিক লোকজন ভিকটিমদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
শ্রীপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহিন মিয়া জানান, মারামারির ঘটনায় তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।
এছাড়াও যে কোনো ধরনের সহিংসতা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।