
সিরাজগঞ্জে অপহরণ মামলায় মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ায় চারজনকে ১০ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সাথে তাদের ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরো ৬ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়েছে।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন— সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার চিতুলিয়া গ্রামের কাশেম আলী (৩৫), আকবর আলী (৩২), আছের উদ্দিন (৩৪) ও বছিরুন্নেছা (২৫)।
মঙ্গলবার বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ ইকবাল হোসেন এ রায় দেন।
ওই আদালতের অতিরিক্ত সরকারি আইনজীবী হাদীউজ্জামান শেখ হাদী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আলোকিত বাংলাদেশকে জানান, ১৯৯০ সালের ১৮ জুলাই ওই গ্রামের আমির হোসেন মন্ডলের ছেলে হিমুর সঙ্গে পাশের কাশীনাথপুর গ্রামের দেলবর খন্দকারের ছেলে আরমানের সংঘর্ষ হয়। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং দেলবর খন্দকার তার ছেলে আরমানকে টাঙ্গাইলে তার ফুপুর বাড়িতে লুকিয়ে রেখে ৬ জনের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় চিথুলিয়া গ্রামের আমির হোসেন মন্ডল তার ভাই ইমাম মন্ডল এবং আমির হোসেন মন্ডলের ২ ছেলে বাবু মন্ডল ও হিমু মন্ডলকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দেন আদালত। তারা কারাভোগ শেষে অপহৃত আরমানকে খুঁজতে থাকে।
এক পর্যায়ে ২০০৯ সালে গোপন সূত্রে তারা জানতে পারে, আরমান পাবনার চাটমোহরে তার এক আত্মীয়র বাড়িতে দাওয়াত খেতে এসেছে। পরে বিষয়টি পাবনা র্যাব অফিসে জানালে র্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আরমানকে আটক করে। পরে মিথ্যা অপহরণ মামলা দায়ের করায় কারাভোগকারী বাবু মন্ডল বাদী হয়ে অপহরণ মামলার বাদী ও সাক্ষীসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করে। এ মামলার বাদি ও ভ মারা যাওয়ায় পর মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ায় বিজ্ঞ বিচারক ওই চার সাক্ষীকে উল্লেখিত কারাদণ্ড দেন।