অনলাইন সংস্করণ
২১:৫২, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর অবশেষে শর্তসাপেক্ষে ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফরে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য এই সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২৮ আগস্ট) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে মালয়েশিয়া কর্তৃপক্ষ ১০ হাজার কর্মীকে সম্পূর্ণ বিনা খরচে (জিরো কস্ট) নেওয়ার বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিমান ভাড়াসহ সব ধরনের অভিবাসন ব্যয়মুক্ত এই কর্মীদের প্রথম বহর সরকারি প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড’ (বোয়েসেল)-এর মাধ্যমে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে মালয়েশিয়ায় পাঠানো হবে।
২০২২ সালের সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী কর্মী প্রেরণকারী এজেন্সি নির্বাচনের একক এখতিয়ার মালয়েশিয়া সরকারের ওপর ন্যস্ত থাকায় বিদ্যমান আইনি সীমাবদ্ধতার মধ্য থেকেই সর্বোচ্চ নেগোসিয়েশন করেছে বর্তমান সরকার।
মালয়েশিয়ার উচ্চপর্যায়ের যৌথ কমিটির যাচাই-বাছাই শেষে মোট ৩৩৮টি রিক্রুটিং এজেন্সি ও সাব-এজেন্সিকে কর্মী প্রেরণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এ তালিকায় রয়েছে মালয়েশিয়ার মন্ত্রিপরিষদের অনুমোদিত ২৫টি মূল রিক্রুটিং এজেন্সি ও একটি সরকারি এজেন্সি।
বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ অনুরোধে অন্তর্বর্তী সরকারের ৪২৩টি এজেন্সির তালিকা থেকে বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে অতিরিক্ত ৩১২টি এজেন্সিকে সহযোগী হিসেবে যুক্ত করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার ক্ষেত্রেও স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার।