অনলাইন সংস্করণ
২১:২৭, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
একাত্তরের ইতিহাসকে খাটো করার যেকোনো প্রচেষ্টা মেনে নেওয়া কঠিন বলে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে তিনি এ কথা বলেন। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
মির্জা ফখরুল বলেন, একাত্তর নিয়ে কটাক্ষ বা অবমূল্যায়নের চেষ্টা হলে তা মেনে নেওয়া যায় না। তিনি উল্লেখ করেন, তার সহকর্মী সালাউদ্দিন আহমেদ যে বক্তব্য দিয়েছেন একাত্তর নিয়ে কথা বলা জরুরি, কারণ এটি জাতির অস্তিত্ব ও পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত; তিনি সেই বক্তব্যের সঙ্গেই একমত।
তার মতে, একাত্তরই বাংলাদেশের পরিচয়ের ভিত্তি, তাই বিষয়টি বারবার উচ্চারণ করা প্রয়োজন।
সংবিধান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ বিষয়ে তিনি নিজেকে বিশেষজ্ঞ মনে করেন না, তাই আলাদা করে কিছু বলার নেই। সহকর্মীর বক্তব্যের বাইরে নতুন করে কিছু যোগ করারও প্রয়োজন দেখেন না।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে একযোগে কাজ করেছেন। সেই সময়ের অনেক সহযোদ্ধা আজ আর বেঁচে নেই; কেউ নিহত হয়েছেন, কেউ দেশত্যাগে বাধ্য হয়েছেন। তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধা জানান তিনি।
৫ আগস্টের পর তাদের অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে; এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মির্জা ফখরুল বলেন, তাদের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। বরং অন্য পক্ষ ক্ষমতার সম্ভাবনা দেখে নিজেদের অবস্থান বদলেছে বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরও অভিযোগ করেন, সে সময়ের কিছু বক্তব্য গণতন্ত্রকে শক্তিশালী না করে বরং পারস্পরিক দূরত্ব বাড়িয়েছে। বর্তমান বিভাজনের পেছনে সেটিও একটি কারণ বলে মনে করেন তিনি।
নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনকে ‘ইঞ্জিনিয়ারিং করা’ হয়েছে; এমন অভিযোগ জনগণ মেনে নেয়নি এবং নেবে না বলেও দাবি করেন।