
দীর্ঘদিন পর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও ঢাকা-১৭ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী তারেক রহমান। একই সঙ্গে নির্বাচনে বিএনপির জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৩৬ মিনিটে রাজধানীর গুলশান মডেল হাইস্কুল কেন্দ্রে প্রবেশ করেন তিনি। ভোট প্রদান শেষে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে কেন্দ্র থেকে বের হয়ে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও মেয়ে জাইমা রহমান।
সাংবাদিকদের তারেক রহমান বলেন, বিগত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশের মানুষ এই দিনটির জন্য অপেক্ষা করছিলেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন, দেশের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে একটি নতুন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের সূচনা করবেন।
বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, বিএনপি জয়লাভ করলে প্রাধান্য পাবে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়ন করা। যাতে মানুষ নিরাপদ বোধ করে।
সারাদেশে আগের রাতে ঘটে যাওয়া কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার প্রসঙ্গ টেনে তিনি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোরভাবে সেসব পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে, যা তার কাছে আশাব্যঞ্জক বলে মনে হয়েছে।
ভোটার ও দলীয় নেতাকর্মীদের শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রে অবস্থান করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, মানুষ যদি সারাদিন ভোটকেন্দ্রে এসে তাদের অধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলে ইনশাআল্লাহ যেকোনো ষড়যন্ত্র রুখে দেওয়া সম্ভব।
জয়ের ব্যাপারে কতটা আশাবাদী—এমন প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, আমি ইনশাআল্লাহ আশাবাদী, জয়ের ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদী।
বিএনপির সরকার গঠন করলে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পাবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন বলে জানান তারেক রহমান। তিনি বলেন, যাতে সাধারণ মানুষ যাতে দেশে নিরাপদ বোধ করেন, সেটিই হবে আমাদের প্রধান লক্ষ্য।
নারীর অংশগ্রহণ ও ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন বিএনপি চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। তাদের পিছিয়ে রেখে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয়। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী নারীর মূল্যায়ন ও ক্ষমতায়নের কাজ প্রথম দিন থেকেই শুরু করা হবে।
সবাইকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুন্দর ও স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বক্তব্য শেষ করেন।