ঢাকা শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

মৃত্তিকার দিকে প্রত্যাবর্তন

ইফতেখার রবিন
মৃত্তিকার দিকে প্রত্যাবর্তন

অতঃপর নীরবতা... অতএব: মানুষ, বিনয়ী হও।

ধূলি, নক্ষত্র, রক্ত আর অশ্রুর শপথ:

জীবন ক্ষণিক; তবু স্বপ্নের ভেতরেই মহাকালের রথ।

একদিন, সূর্যও নিভে যাবে- নিশ্চিত!

সমুদ্র শুকাবে, ভেঙে পড়বে সভ্যতার মিনার;

কে জানে, কোন প্রহরে বেজে উঠবে শেষ সংগীত?

পাপ ও পুণ্যের মাঝে বিস্তর ব্যবধান-

তবু মানুষ কেন নিজের কাছেই পরাজিত হয়?

কিতাবের আলো আছে; প্রার্থনার আহ্বান,

তবু হৃদয় অন্ধ হলে সকল জ্ঞানই ক্ষয়।

দ্বিখণ্ডিত আয়নায় কারা নিজেদের মুখ দেখে?

বলো রাজা, বলো সাধু, বলো যুদ্ধফেরত ক্লান্ত সৈনিক:

শ্মশানের ধোঁয়া আর কবরের নীরব মাটি

শেষে কি একই শূন্যতার দিকেই দৌড়ায় অনন্ত ঠিক?

তবে কিসের অহংকার? কিসের পরিচয়?

দেহ দগ্ধ হলে থাকে শুধু কিছু ছাই,

সময় মুছে দেয় নাম- স্মৃতিও একদিন হারায়।

ক্ষমতার প্রাসাদ, অর্থের অলংকার,

সবই ক্ষণস্থায়ী; সবই ক্ষয়ের অধিকার।

শেষে মানুষ ফিরে যায় মৃত্তিকারই কাছে-

মাটির গভীর ঘুমে, সমস্ত উচ্চারণ নত হয়ে বাঁচে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত