প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ১৬ মে, ২০২৬
অতঃপর নীরবতা... অতএব: মানুষ, বিনয়ী হও।
ধূলি, নক্ষত্র, রক্ত আর অশ্রুর শপথ:
জীবন ক্ষণিক; তবু স্বপ্নের ভেতরেই মহাকালের রথ।
একদিন, সূর্যও নিভে যাবে- নিশ্চিত!
সমুদ্র শুকাবে, ভেঙে পড়বে সভ্যতার মিনার;
কে জানে, কোন প্রহরে বেজে উঠবে শেষ সংগীত?
পাপ ও পুণ্যের মাঝে বিস্তর ব্যবধান-
তবু মানুষ কেন নিজের কাছেই পরাজিত হয়?
কিতাবের আলো আছে; প্রার্থনার আহ্বান,
তবু হৃদয় অন্ধ হলে সকল জ্ঞানই ক্ষয়।
দ্বিখণ্ডিত আয়নায় কারা নিজেদের মুখ দেখে?
বলো রাজা, বলো সাধু, বলো যুদ্ধফেরত ক্লান্ত সৈনিক:
শ্মশানের ধোঁয়া আর কবরের নীরব মাটি
শেষে কি একই শূন্যতার দিকেই দৌড়ায় অনন্ত ঠিক?
তবে কিসের অহংকার? কিসের পরিচয়?
দেহ দগ্ধ হলে থাকে শুধু কিছু ছাই,
সময় মুছে দেয় নাম- স্মৃতিও একদিন হারায়।
ক্ষমতার প্রাসাদ, অর্থের অলংকার,
সবই ক্ষণস্থায়ী; সবই ক্ষয়ের অধিকার।
শেষে মানুষ ফিরে যায় মৃত্তিকারই কাছে-
মাটির গভীর ঘুমে, সমস্ত উচ্চারণ নত হয়ে বাঁচে।