ঢাকা মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

‘ঋণখেলাপিদের লাল কার্ড দেখানো হবে’

‘ঋণখেলাপিদের লাল কার্ড দেখানো হবে’

জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, এবার জাতীয়তাবাদের নামে ঋণ খেলাপি ও বিদেশি নাগরিকদের লাল কার্ড দেখান হবে। আমরা দেখেছি তারা বিভিন্ন স্থানে দুর্নীতির কথা বলে। তারা জাতীয়তাবাদের রাজনীতি করে। কিন্তু একটা জাতীয়তাবাদের রাজনীতি করা দলের প্রার্থীদের একটা বড় অংশ বিদেশি নাগরিক। তারা বাংলাদেশের নাগরিকই না। যাদের প্রার্থীরা এককভাবে এ দেশের নাগরিক না। তাদের মুখে জাতীয়তাবাদের কথা অত্যন্ত হাস্যকর শোনায়। গতকাল মঙ্গলবার নোয়াখালীর সেনবাগের সেবারহাটে এনসিপির নির্বাচনি পদযাত্রায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় আসিফ মাহমুদ এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান এবং খালেদা জিয়ার জাতীয়তাবাদী দল, দলের ইতিহাস, বাংলাদেশের ইতিহাসই রয়ে গেছে। বাস্তবে আর তার কোনো চিহ্ন নেই। আমরা দেখেছি তারা কিভাবে আপনার আমার জনগণের টাকা লুট করা, ব্যাংক খেলাপিদের, ঋণ খেলাপিদের মনোনয়ন দিয়েছে। ঋণ খেলাপিরা আবারও বাংলাদেশের ক্ষমতায় এসে আবারও আপনার-আমার টাকা, জনগণের টাকা লুট করার জন্য অপেক্ষা করছে। আমরা তাদের কি সেই সুযোগ দিবো? আমরা কি ঋণ খেলাপি বিদেশি নাগরিকদের ভোট দিয়ে আমাদের ওপর রাজত্ব করার সুযোগ দিব?

আসিফ মাহমুদ বিএনপিকে ইঙ্গিত করে বলেন, তারা কৃষক এবং শ্রমিকদের পেনশন চালু করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। তারা পাঁচ বছর ক্ষমতায় থেকে একটি প্রতিশ্রুতিও বাস্তবায়ন করেনি। সুতারাং এখন যতই কৃষক কার্ড, ফ্যামেলি কার্ড, যত কার্ডের কথাই বলুক না কেন, বাংলাদেশের মানুষ জানে, মানুষের অভিজ্ঞতা আছে। আপনারা কোনো কথাই রাখবেন না। তিনি আরও বলেন, আমরা একটি দলকে বার বার বলতে শুনি সংস্কারের কথা। তারাই নাকি প্রথম সংস্কারের কথা বলেছিল। কিন্তু তারা বিভিন্ন জায়গায় সমাবেশ করছে, মানুষের কাছে ভোট চাচ্ছে। কিন্তু একটা বারেও তাদের দলীয় প্রধানকে সংস্কারের কিংবা গণভোটের কথা মুখেও আনতে দেখি নাই। তারা অন্যান্য দলকে বলে মুখে এক, মনে আরেক। অথচ তাদেরও আমরা দেখতেছি তারা মুখে এক, মনে আরেক। একদিকে তাদের কেউ কেউ সংস্কারের কথা বলে, আবার মাঠ পর্যায়ে না ভোটের পক্ষে ক্যাম্পেন করে। তাদের মুনাফিকি এরইমধ্যে বাংলাদেশের মানুষজন চিহিৃত করে ফেলেছে। নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে আসিফ মাহমুদ বলেন, সেনবাগেও তারা পেশি শক্তি দিয়ে কেন্দ্র দখল করার হুমকি দিচ্ছে। বাংলাদেশের মানুষ তিনটি নির্বাচনে ভোট দিতে পারেনি। আমরা ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তাদের হুশিয়ারি করে দিতে চাই। যদি এবার বাংলাদেশের একজন নাগরিককেও তার ভোটধিকার প্রয়োগে কোনো ধরনের বাধা দেওয়া হয়। তাহলে কিন্তু আমরা তা বসে-বসে দাঁড়িয়ে-দাঁড়িয়ে দেখব না। যেখানেই কাউকে ভোট দিতে বাধার সৃষ্টি করা হবে, সেখানেই আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত