
নোয়াখালী-২ আসনের সোনাইমুড়ী উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়নের ভোরের বাজারে স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের (কাপ পিরিচ) প্রতীকের নির্বাচনি কার্যালয়ে হামলা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে কাজী মফিজুর রহমানের তিন সমর্থক আহত হয়েছেন এবং অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। গতকাল রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে উপজেলার ভোরের বাজারের নির্বাচনি কার্যালয়ে এই হামলা চালানো হয়। সংসদ সদস্য প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, সকালে উপজেলার বারগাঁও ইউনিয়ন ২নম্বর ওয়ার্ডের রাজিবপুর গ্রামে নির্বাচনি কার্যালয়ে একটি সভা করি। সভা শেষে আমি চলে যাওয়ার পর সাবেক চেয়ারম্যান দুলাল, বিএনপি নেতা কামাল উদ্দিন বাবুলের নির্দেশে যুবদলের নেতা ও ধানের শীষ প্রতীকের সমর্থক মো.পলাশ, মহিউদ্দিন চৌধুরী, মো.কানন, মো. বাদশা, মো. রকি, গিয়াস উদ্দিন, পিন্টু, বাদশার নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের একটি দল আমার নির্বাচনি অফিসে হামলা-ভাঙচুর চালায়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ করে আমি কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। তারা করছি, দেখবে বলে কালক্ষেপণ করে। ধানের শীষ প্রতীকের নেতাকর্মীদের হুমকি ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন অব্যাহত থাকায় এলাকায় নির্বাচনি পরিবেশ অবনতির দিকে যাচ্ছে। অভিযোগের বিষয়ে নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, এই বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। সোনাইমুড়ী থানার ওসি কবির হোসেন বলেন, নির্বাচন অফিসে ভাঙচুর হয়নি। তবে স্বতন্ত্র প্রার্থীর বৈঠকে বিএনপির কিছু লোক ধানের শীষ প্রতীকের স্লোগান দেয়। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙচুর করা হয়।