
মামলার তদন্ত, বিচার কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করতে ময়মনসিংহে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল শনিবার ময়মনসিংহ চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবনের চতুর্থ তলায় অবস্থিত শহিদ সোহেল-জগন্নাথ সম্মেলন কক্ষে এ কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়। ময়মনসিংহের চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ ওয়ায়েজ আল করুনীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিচার বিভাগ, পুলিশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টের প্রধানরা অংশগ্রহণ করেন।
এ সময় কনফারেন্সে আলোচনা হয় সমন, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ও ক্রোকি পরোয়ানা যথাসময়ে তামিল, মামলায় সাক্ষী উপস্থিত নিশ্চিতকরণ এবং তদন্ত কার্যক্রমে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
সময়মতো মেডিক্যাল সার্টিফিকেট, ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন, ফরেনসিক ও ভিসেরা রিপোর্ট দ্রুত প্রাপ্তির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপাশি পুলিশ রিমান্ড ও ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নির্দেশনা যথাযথভাবে প্রতিপালনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। সভায় মামলার জব্দ আলামতের যথাযথ সংরক্ষণ, ধ্বংস বা নিলাম কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করা এবং মালখানা থেকে সময়মতো আলামত আদালতে উপস্থাপনের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়। এছাড়া আদালত চত্বরে বিচারক, ম্যাজিস্ট্রেট, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও আলোচনা করা হয়। সভায় বক্তারা বিচার কার্যক্রমকে আরও কার্যকর, স্বচ্ছ ও সময়োপযোগী করতে পুলিশ ও বিচার বিভাগের সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন- পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ম্যাজিস্ট্রেট বিদুৎ আদালত, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেসির সব ম্যাজিস্ট্রেটরা, পারিবারিক আদালতের বিজ্ঞ বিচারকরা, ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন, এসডিই, গণপূর্ত বিভাগ, পরিচালক ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ-এর প্রতিনিধি, ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগ মেডিকেল কলেজ-এর প্রতিনিধি, পিবিআই এর প্রতিনিধি, সিআইডি-এর প্রতিনিধি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৫, সিনিয়র এএসপি, সিপিএসসি, র্যাব-১৪, পাবলিক প্রসিকিউটর, সহকারী বন কর্মকর্তা, উপ-পরিচালক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, সদস্য সচিব, জেলা আইনজীবী সমিতি, সিনিয়র জেল সুপার, কেন্দ্রীয় কারাগার, সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা, বিজিবি, ময়মনসিংহ-এর প্রতিনিধি, কোর্ট ইন্সপেক্টর, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, জেলা গোয়েন্দা শাখা, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর, সদর ট্রাফিক, ময়মনসিংহ। প্রবেশন অফিসার প্রমুখ। ফোকাল পার্সনের দায়িত্বে ছিলেন, উপেন্দ্র চন্দ্র দাস অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ময়মনসিংহ।