ঢাকা রোববার, ০১ মার্চ ২০২৬, ১৬ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

ডোমারে রাসায়নিক সারের সংকট কেটেছে

ডোমারে রাসায়নিক সারের সংকট কেটেছে

নীলফামারীর ডোমার উপজেলা চলতি মৌসুমের শুরুতে সার সংকট থাকলেও জানুয়ারি ও বর্তমান ফেব্রুয়ারি মাসে সংকট কেটে গেছে। এখন সরকার নির্ধারিত মূল্যে চাহিদানুযায়ী রাসায়নিক সার পেয়ে কৃষকরা স্বস্তি প্রকাশ করছে।

সংকট দূর হওয়ার কারণে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছে সার সহজলভ্য হয়েছে। ফলে কৃষকরা এখন নির্বিঘ্নে ফসল উৎপাদন করতে পারবে। গত মাসগুলোতে চাহিদানুযায়ী কৃষকরা সার না পেলে কিছুটা হৈচৈ পড়ে যায়। পরে কৃষি বিভাগের তৎপরতায় চাহিদানুযায়ী সার সরবরাহ করা হয় ডিলারদের মধ্যে। কৃষক রবিউল ইসলাম, চন্দন রায়, নিতাই রায়সহ অন্তত ১৫ জন কৃষকের সঙ্গে আলোচনা করলে তারা জানান, চলতি বোরো মৌসুমে ডিলারদের কাছে বরাদ্দ আসলে চাহিদানুযায়ী সার পাওয়া যায়। এছাড়াও ছোট ছোট দোকানদারদের কাছেও সার পাওয়া যাচ্ছে, তবে ডিলারদের চেয়ে কিছু টাকা বেশি দরে তাদের কাছ থেকে কিনতে হয়।

বিসিআইসি সার ডিলার বজলার রহমান, বিএডিসি অনুমোদিত বীজ ও সার ডিলার সহিদুল ইসলাম জানান, প্রতি মাসের বরাদ্দকৃত সার উত্তোলন করে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রয় করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডিলার জানান, কৃষকদের চাহিদানুযায়ী বরাদ্দ কম আসায়, কৃষকদের চাহিদানুযায়ী সার দিতে কিছুটা হিমসিম খেতে হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ রফিকুল ইসলাম জানান, সারের কোনো সংকট নেই। এই উপজেলায় বিসিআইসি ১১ জন এবং বিএডিসি অনুমোদিত ২০ জন, মোট ৩১ জন ডিলার রয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে ইউরিয়া ১২৮৯ টন, টিএসপি ১২১.৪০ মেট্রিক টন. এমওপি ১৯৫.৪০ টন ও ডেব ৬৩৮.১৫ টন সারের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হয়েছে। অনুমোদিত ডিলারদের মাধ্যমে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রয় করা হয়। চলতি মৌসুমে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় কৃষকরা যথা সময়ে সার পাচ্ছেন এবং ভুট্টা আলু বোরোসহ অন্যান্য ফসলের মাঠ ভালো অবস্থায় রয়েছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত