
পাবনার ঈশ্বরদীতে চাঞ্চল্যকর দাদি-নাতনিকে খুনের ঘটনার রহস্য উদঘাটন করেছে পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। এ ঘটনায় শরিফুল ইসলাম শরীফ নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে সম্পর্কে নিহত কিশোরীর চাচা। গতকাল রোববার পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এ তথ্য জানিয়েছেন।
পাবনা জেলা ডিবির ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান, শরীফ পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে, যৌন হয়রানির চেষ্টা ও তাতে নাতনির বাধার কারণে সৃষ্ট ক্ষোভ থেকেই তিনি জয়নাল খাঁর মা সুফিয়া খাতুন ও তার নাতনি জামিলা আক্তারকে খুন করে। গ্রেপ্তার শরীফ ও নিহতরা পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর উত্তরপাড়া এলাকার বাসিন্দা। জামিলা স্থানীয় একটি মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। এ ঘটনায় গত শনিবার জামিলার বোন বাদী হয়ে ঈশ্বরদী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করা হয়। দ্রুত রহস্য উদঘাটনের জন্য জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশকে মামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ঈশ্বরদীতে সংঘটিত নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় পাবনা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ গত শনিবার এ হত্যাকাণ্ডে সন্দেহভাজন হিসেবে উপজেলার ভবানীপুর উত্তরপাড়া গ্রামের রাব্বি মন্ডল ও শরিফুল ইসলাম শরীফ নামে দুজনকে আটক করে থানা হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। আটক শরীফ পুলিশের কাছে হত্যার কথা স্বীকার করে ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে। সে সম্পর্কে নিহত কিশোরী জামিলার চাচা। পুলিশের কাছে সে স্বীকার করেছে, যৌন হয়রানির চেষ্টা ও তাতে নাতনির বাধার কারণে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় তার মধ্যে। এরই মধ্যে একপর্যায়ে সে স্থানীয় জয়নাল খাঁর মা সুফিয়া খাতুন ও তার নাতনি জামিলা আক্তারকে খুন করে।