ঢাকা মঙ্গলবার, ০৯ জুন ২০২৬, ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে মারধরে আহত সুধীর মারা গেছেন

ছাগল বাঁধাকে কেন্দ্র করে মারধরে আহত সুধীর মারা গেছেন

নীলফামারীর ডোমারে জমিনে ছাগল বাধার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মারধরে আহত সুধীর চন্দ্র (৫৪) মারা গেছে। শনিবার দিবাগত রাত একটার দিকে চিকিৎসার উদ্দ্যেশ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করেন সুধীর চন্দ্র।সুধীর চন্দ্র উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভূজারিপাড়া গ্রামের মৃত সুরেন্দ্রনাথ রায়ের ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ৩১মে রোববার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভুজারীপাড়া গ্রামে ছাগল বাধা নিয়ে প্রতিবেশী মশিউর রহমানদের সাথে সুধীর চন্দ্র রায়ের পরিবারের বাক-বিতন্ডা হয়। বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে মশিউর রহমানের ছেলে ফাহিম সুধীর চন্দ্র রায়কে এলোপাথারি মারপিট করে। পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় উদ্ধার করে সুধীর চন্দ্রের পরিবারের লোকজন সুধীর চন্দ্রকে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার পথিমধ্যে গোমনাতি ডারার পার নামক স্থানে মশিউর রহমানের শ্বশুর বাড়ীর সামনে সুধীর চন্দ্রকে বহনকারী গাড়ীটির পথরোধ করে এবং সুধীর চন্দ্রকে দ্বিতীয় দফায় মারধর করেন মশিউর রহমানের আত্মীয়রা।পরে সেখান থেকে সুধীরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায় তার পরিবার।

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তিনদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বুকে ব্যাথা নিয়ে বাড়ীতে ফিরে সুধীর চন্দ্র।গত শনিবার রাত একটার দিকে সুধীর বুকের ব্যাথা বেশি হলে পরিবারের লোকজন তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যু ঘটে।

মৃত সুধীর চন্দ্রের স্ত্রী রাধিকা দাবী করেন,দ্বিতীয় দফায় আমার স্বামীকে মারপিটের সময় গোমনাতি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সহযোগিতা পেলে এতো মারপিট করতে পারতো না।বুকে প্রচন্ড আঘাতের কারনে আমার স্বামী মারা যায়।ঘটনার পর থেকে মশিউর রহমানের পরিবারের লোকজন পলাতক থাকায় তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত