
অভাবে কষ্ট ও দুঃখের শেষ নেই। এ অভাবের সঙ্গে যুদ্ধ করেই সফলতা অর্জন। এবার এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে এ সফলতা অর্জন করেছে মোন্নাফ হোসেন। সে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সিমলা গ্রামের শ্রমিক রফিকুল ইসলামের (৫০) ছেলে। সে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিয়েও দুশ্চিন্তায় রয়েছে। তবে সে উ"চ শিক্ষা অর্জন করে একজন সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার আশাবাদী। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উক্ত রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে অভাব অনটনের সাথে যুদ্ধ করে আসছে। এ অভাব উপেক্ষা করেই ছেলেকে ভালো লেখাপড়া করার চেষ্টা করে আসছেন। তিনি একজন নির্মাণ শ্রমিক ও তার স্ত্রী একটি এনজিও অফিসের পরিচারিকা হিসেবে কাজ করেন। স্বামী স্ত্রীর এ উপার্জনে সংসার ও ছেলের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে আসছিল।
এমনকি তারা জরাঝীর্ণ ঘরে বসবাস করে আসছিলেন এবং তার বাড়িটুকু ও ২টি ঘর ছাড়া কিছু নেই। মোন্নাফ বলেন, পড়াশোনা শেষ করে সরকারি কর্মকর্তা হতে চাই।
কিন্' বাবার এ অভাবের সংসারে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়াই এখন দূশ্চিন্তায় রয়েছি। তবে বাবা মার উপার্জনেই উ"চ শিক্ষা অর্জন করবো। ২০২৪ সালে ধানগড়া উ"চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছি এবং স্'ানীয় সরকারি বেগম নূরুন্নাহার তর্কবাগীশ কলেজে বাণিজ্য বিভাগে ভর্তি হই।
এবার এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছি। যদিও অস্বাভাবিক কষ্টে পড়াশোনা করেছি এবং এ অভাব কষ্টের মধ্যে লেখাপড়া করে সফলতা পেয়েছি । তার বাবা রফিকুল ইসলাম বলেন, ছেলের অনেক আশা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে। কিন্' সেই খরচ আমি কীভাবে বহন করবো তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। তবে তিনি সকলের সহযোগীতাও কামনা করেছেন।