ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

নিশ্চিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা

* রাজধানীতে নির্বাচন ঘিরে সেনাবাহিনীর তল্লাশি অভিযান * নির্বাচনে নাশকতাণ্ডসহিংসতা কঠোরভাবে দমন করবে বিজিবি : মহাপরিচালক * জাল ভোট, ব্যালট ছিনতাইকারীরাই ঝুঁকিতে থাকবে : র‌্যাব ডিজি * জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড মোতায়েন * নির্বাচনি মাঠে তৎপর আনসার বাহিনীর ১১৯১ স্ট্রাইকিং টিম
নিশ্চিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে সেনাবাহিনী চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি অভিযান পরিচালনা করছে। এ সময় সড়কে চলাচলকারী মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য গাড়ি তল্লাশি করছেন তারা। গতকাল বুধবার দুপুরে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের শিশুমেলা এলাকায় শেরেবাংলা নগরের ২৩ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ক্যাম্প কমান্ডার মেজর ফুয়াদের নেতৃত্বে এই চেকপোস্ট বসানো হয়। চেকপোস্টকালে তিনি সাংবাদিকদের জানান, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে সড়কে সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। প্রতিটি ভোটার এবং ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তায় আমাদের মূল উদ্দেশ্য। এই এলাকায় যত ভোটার আছেন তারা যাতে নির্বিঘ্নে ভোট কেন্দ্রে যেতে পারে তাদের নিরাপত্তার জন্যই আমরা নিয়োজিত আছি। আমরা সকাল থেকে এখানে চেকপোস্ট করছি। চেকপোষ্টে যেসব গাড়ি চলাচল কথা নয় এবং সরকার কর্তৃক যেসব যানবাহনকে সীমিতকরণ করা হয়েছে তাদেরকে ধরছি এবং আইনের হাতে সোপর্দ করছি। তিনি আরো বলেন, আমরা এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এবং ভোট কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে এবং প্রত্যেকটি কেন্দ্রের টহল টিম রয়েছে।

ভোটকেন্দ্রে কোনো বিশৃঙ্খলা হলে সে ক্ষেত্রে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। আমরা এটাকে মোটেও কোনো ছাড় দেব না বা প্রশ্রয় দেব না, সঙ্গে সঙ্গে অ্যাকশনে যাব এবং যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করব। সকাল থেকে কোনো ধরনের তবে বেশ কয়েকটি মোটরসাইকেল পেয়েছি সেগুলোকে আমরা জব্দ করেছি।

নির্বাচনে নাশকতাণ্ডসহিংসতা কঠোরভাবে দমন করবে বিজিবি - মহাপরিচালক : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে যেকোনো প্রকার নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড, সহিংসতা ও বিশৃঙ্খলার অপচেষ্টা দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিহত করে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। গতকাল বুধবার রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বিজিবির একাধিক নির্বাচনি বেইজ ক্যাম্প পরিদর্শনের সময় দায়িত্বরত বিজিবি সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এমন নির্দেশনা দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে বিজিবি মহাপরিচালক নির্বাচনে বিজিবির সার্বিক প্রস্তুতি, আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ এবং নির্বাচনকালীন যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিজিবির অপারেশনাল সক্ষমতা পর্যালোচনা করেন। একই সঙ্গে তিনি নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গৃহীত পরিকল্পনা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন এবং পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

বিজিবি মহাপরিচালক সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব, নিষ্ঠা ও নিরপেক্ষতার সঙ্গে নির্বাচনি দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কোনো ধরনের শৈথিল্য বা গাফিলতি গ্রহণযোগ্য হবে না উল্লেখ করে বিজিবি সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান।

নির্বাচনকালীন যেকোনো নাশকতা, সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা দৃঢ়তার সঙ্গে প্রতিহত করতে নির্দেশ দেন বিজিবি মহাপরিচালক। ভোটাররা যাতে নির্বিঘ্নে ও শঙ্কামুক্ত পরিবেশে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সেজন্য সর্বোচ্চ সংখ্যক টহল পরিচালনা এবং চেকপোস্ট স্থাপন করে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে নির্দেশ দেন তিনি।

পাশাপাশি ভোটার ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে ভদ্র, মানবিক ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানান। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুরক্ষা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজিবি সদস্যরা সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারত্বের সঙ্গে তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন বিজিবি মহাপরিচালক।

জাল ভোট, ব্যালট ছিনতাইকারীরাই ঝুঁকিতে থাকবে - র‌্যাব ডিজি : জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাধারণ ভোটারদের কোনো ঝুঁকি নেই; ঝুঁকি রয়েছে তাদের জন্য, যারা নির্বাচনকে ব্যাহত করতে চায়, জাল ভোট দিতে যাবে, ব্যালট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা করবে কিংবা ফলাফল মেনে না নিয়ে আইন ভঙ্গ করবে বলে মন্তব্য করেছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি এ কে এম শহিদুর রহমান। গতকাল বুধবার বিকালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট উপলক্ষে শেরেবাংলা নগর রাজধানী উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ব?্যাব ডিজি বলেন, নির্বাচনে ঝুঁকি অবশ্যই আছে। তবে আমি মনে করি, এই নির্বাচনে ঝুঁকি তাদের জন্য, যারা নির্বাচন বানচাল করতে চায়। যারা জাল ভোট দিতে যাবে, ব্যালট বাক্স ছিনতাই করবে, ভোটকেন্দ্রে আক্রমণ করবে বা ফলাফল মেনে না নিয়ে আইন অমান্য করবে- ঝুঁকি তাদেরই। তিনি বলেন, তফসিল ঘোষণার আগ থেকেই র‍্যাব নির্বাচনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারে জোরালো অভিযান চালানো হয়েছে। গত দেড় থেকে দুই মাসে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সাম্প্রতিক সময়েও অস্ত্র উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

নির্বাচনকে তিনটি ধাপে ভাগ করে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে জানিয়ে অতিরিক্ত আইজিপি বলেন, নির্বাচন-পূর্ব, নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচন-পরবর্তী সময়। নির্বাচন-পূর্ব সময় শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে। নির্বাচনের দিন র‍্যাব স্ট্রাইকিং ও মোবাইল ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। এরই মধ্যে ৬৪ জেলায় র‍্যাবের টিম মোতায়েন রয়েছে।

র‍্যাবের এই ডিজি বলেন, সেনাবাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, আনসার ও পুলিশসহ সব বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। রিটার্নিং অফিসার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও ও ওসিদের সঙ্গে সমন্বয় করে মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করবে র‌্যাব।

ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রগুলোকে ‘গুরুত্বপূর্ণ’ ও ‘অধিক গুরুত্বপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সে অনুযায়ী স্থির (স্ট্যাটিক) ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া প্রযুক্তিগত সক্ষমতাও আগের চেয়ে বাড়ানো হয়েছে। প্রায় প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি রয়েছে, পুলিশের প্রায় ২৫ হাজার ৭০০ বডি ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে। ড্রোন, র‍্যাবের ডগ স্কোয়াড, বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও হেলিকপ্টার প্রস্তুত রয়েছে।

বহিরাগতদের উপস্থিতি ও আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী অযৌক্তিকভাবে বহিরাগতদের অবস্থান নিষিদ্ধ। এ বিষয়ে র‍্যাব সতর্ক নজরদারিতে রয়েছে। বড় অঙ্কের অর্থ লেনদেন বা ভোটার প্রভাবিত করার চেষ্টা হলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি। কোথাও যদি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে এবং ভোটগ্রহণের পরিবেশ নষ্ট হয়, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রের ভোট স্থগিত বা বাতিলের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন নিতে পারে।

জঙ্গি হামলার কোনো নির্দিষ্ট হুমকি নেই বলেও জানান র‍্যাব মহাপরিচালক। তবে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন হবে বলে আশাব্যক্ত করেছেন র‍্যাব মহাপরিচালক।

জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে উপকূলীয় এলাকায় কোস্ট গার্ড মোতায়েন : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় উপকূলীয় এলাকায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড মোতায়েন করা হয়েছে। গত মঙ্গলবার কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়ামণ্ডউল-হক স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এতথ্য জানানো হয়। আজ ১২ ফেব্রুয়ারি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে গত ১৮ জানুয়ারি হতে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মোট ২৮ দিনব্যাপী কোস্ট গার্ড দায়িত্বাধীন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী দুর্গম ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহের ভোট কেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবে।

ইতোমধ্যে কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের সদস্যগণ চট্টগ্রাম-২ আসনের আওতাধীন সন্দ্বীপ, কক্সবাজার-২ ও ৪ আসনের কুতুবদিয়া ও সেন্টমার্টিনে সর্বমোট ১২২টি ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করছে।

কোস্ট গার্ড বিশেষ গোয়েন্দা নজরদারি, ড্রোন নজরদারি, নিয়মিত টহল ও প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং যেকোনো ধরনের সহিংসতা দমনে সর্বদা সতর্ক ও প্রস্তুত রয়েছে। দুর্গম এলাকাসমূহের নির্বাচনি কেন্দ্রে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষার্থে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির যোগাযোগব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে।

যেকোন ধরনের সহিংসতা রোধে নির্বাচনি এলাকায় দায়িত্ব প্রাপ্ত সদস্যদের পাশাপাশি কোস্ট গার্ডের জাহাজ ও উচ্চ গতি সম্পন্ন বোট এর মাধ্যমে উপকূলীয় অঞ্চলে নজরদারি চলমান রয়েছে। জরুরি পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় কিউআরএফ ও ডাইভিং টিম মোতায়েনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

এরই মধ্যে নির্বাচনি এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখতে পৃথক পৃথক অভিযানে ৯টি দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র, ৫১ রাউন্ড তাজা গোলা, ১১ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১৭ টি দেশীয় অস্ত্র এবং অস্ত্র তৈরির সরঞ্জামাদিসহ দুইজন আগ্নেয়াস্ত্র তৈরির কারিগর ও সাতজন দুষ্কৃতকারীকে আটক করা হয়েছে। ফলে নির্বাচনি এলাকায় সাধারণ জনগণের মধ্যে ভোটবান্ধব পরিবেশ এবং আইন-শৃঙ্খলা সম্পর্কিত মনোভাব উন্নত হয়েছে। ভবিষ্যতেও নির্বাচনকালীন ও নির্বাচন পরবর্তী শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার জন্য এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নির্বাচনি মাঠে তৎপর আনসার বাহিনীর ১,১৯১টি স্ট্রাইকিং টিম : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে মাঠপর্যায়ে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করছে আনসার বাহিনীর ১ হাজার ১৯১টি স্ট্রাইকিং টিম। সারা দেশের মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে জরুরি মুহূর্তে নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর (ভিডিপি)সশস্ত্র টিম স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত রয়েছে। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-পরিচালক ও গণসংযোগ কর্মকর্তা মো. আশিকউজ্জামান স্বাক্ষরিত এর সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।

গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা, জনগণের ভোটাধিকার নিশ্চিতকরণ এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়াকে শান্তিপূর্ণ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সম্পন্ন করতে দেশব্যাপী সমন্বিত নিরাপত্তা ব্যবস্থার আওতায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিরবচ্ছিন্ন ও সমন্বিত নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে প্রত্যন্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার ভোটকেন্দ্রসমূহের নিরাপত্তাকে বিশেষভাবে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় দেশের প্রতিটি উপজেলায় দুইটি করে এবং প্রতিটি জেলায় একটি করে আনসার ব্যাটালিয়ন স্ট্রাইকিং টিম মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত