ঢাকা শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ইরানে হামলার আমিরাতি প্রস্তাবে সাড়া মেলেনি

ইরানে হামলার আমিরাতি প্রস্তাবে সাড়া মেলেনি

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক অভিযান শুরুর পরপরই পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোকে নিয়ে একটি সমন্বিত হামলার প্রস্তাব দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। তবে অন্য দেশগুলোকে এই অভিযানে রাজি করাতে তারা ব্যর্থ হয়েছে বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গ।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান এ বিষয়ে সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। তিনি ইরানের বিরুদ্ধে একটি সম্মিলিত সামরিক অভিযানের পক্ষে যুক্তি দেন। তবে তার এই প্রস্তাবে অন্য দেশগুলোর নেতারা সায় দেননি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অন্য দেশগুলোর কাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত সাড়া না পাওয়াই সম্ভবত গত মাসে ওপেক জোট ছাড়ার মতো বড় সিদ্ধান্তের পেছনে একটি বড় কারণ। এই অনীহার কারণে আমিরাতের সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর সম্পর্কের টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

ব্লুমবার্গের দাবি, সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে যে গত মার্চ মাসে সৌদি আরব ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছিল। কিন্তু এর পরপরই রিয়াদ তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে এবং পাকিস্তানের নেতৃত্বে শুরু হওয়া মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে সমর্থন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। অন্যদিকে, বিশ্বের বৃহত্তম তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কেন্দ্র রাস লাফানে ইরান হামলা চালানোর পর কাতারও পাল্টা আক্রমণের কথা ভেবেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত দোহা কোনও সামরিক পদক্ষেপ না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন আরব আমিরাতের এই যৌথ সামরিক তৎপরতার বিষয়টি সম্পর্কে অবগত ছিল। ওয়াশিংটন চেয়েছিল সৌদি আরব এবং কাতারও যেন এই সমন্বিত সামরিক প্রতিক্রিয়ায় আমিরাতের সঙ্গে যোগ দেয়।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত