
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ‘ভোটের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরে এসেছে। একটি নির্বাচিত সংসদ ও সরকার এসেছে। সমস্ত দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষা ও প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে। সেজন্য ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।’ গতকাল শুক্রবার চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়ে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী শুক্রবার প্রথমবারের মতো নিজ জেলা চট্টগ্রাম সফরে আসেন। এ সময় বিমানবন্দরে দলের নেতাকর্মীরা তাকে স্বাগত জানান।
চট্টগ্রামের উন্নয়ন প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, ‘চট্টগ্রামের উন্নয়ন তো বাংলাদেশের উন্নয়ন। সেদিকে তো কাজ করতেই হবে। অনেক বড় দায়িত্ব। দেখা যাক কী হয়, চেষ্টা করবো সবাইকে নিয়ে।’ বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এখানে বিনিয়োগের অনেক বড় ব্যাপার আছে, সেদিকে আমাদের যেতে হবে। পোর্টের কার্যক্রম আরও উন্নততর করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে।’ অর্থমন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রামকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে হলে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। পাশাপাশি বন্দরের কার্যক্রম আরও উন্নত এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে হবে।
অর্থমন্ত্রী বলেন, এখন বাণিজ্যিক রাজধানীর কাজ শুরু হবে। এখানে বিনিয়োগের অনেক বড় ব্যাপার আছে, সেদিকে আমাদের যেতে হবে। পোর্টের কার্যক্রম আরও উন্নততর করতে হবে। বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। বিনিয়োগের মাধ্যমেই তো বাণিজ্যিক রাজধানী হবে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এ বিষয়ে অনেক পরিকল্পনা রয়েছে, তবে সেগুলো এক কথায় বলা সম্ভব নয়। তিনি কর্মসংস্থানকে দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উল্লেখ করেন। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা চট্টগ্রাম সফরে এসেছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম চট্টগ্রাম সফরের অনুভূতি জানতে চাইলে আমীর খসরু বলেন, ভালো লাগছে। আমরা গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরে এসেছি। একটি নির্বাচিত সংসদ ও সরকার হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণে আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের উন্নয়নেও সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে।