ঢাকা শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

সুসংবাদ প্রতিদিন

আগাম তরমুজ চাষে লাভবান দক্ষিণ উপকূলের কৃষক

আগাম তরমুজ চাষে লাভবান দক্ষিণ উপকূলের কৃষক

ভোলায় আগাম তরমুজে চাষে বাম্পার ফলনে রঙিন স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা। ভালো লাভের আশায় আগামী ১০-১৫ রমজানের মধ্যেই প্রথমবারের মতো তরমুজ কাটবেন বলে আশা ব্যক্ত করেন তরমুজ চাষিরা।

আগাম তরমুজে অধিক লাভবানের আশায় চোখে মুখে রঙিন স্বপ্ন নিয়ে তরমুজ গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে ভোলা সদের চরবৈরাগী, মাঝেরচর ও চরফ্যাশন উপজেলার ওসমানগঞ্জ ও নিলকমল, আবু বকরপুর এলাকার চাষিরা।

তরমুজ চাষিরা জানান, গত কয়েক বছর পূর্বে ভোলা জেলায় বিচ্ছিন্নভাবে কিছু জমিতে তরমুজের চাষ হলেও গত ৫ বছর ধরে তরমুজের আবাদ বাড়ছে। ভোলার বিভিন্ন উপজেলার চরাঞ্চলে এ তরমুজ চাষ হয়ে থাকে। এসব এলাকায় নদী-খালের পানিতে লবণাক্ততা না থাকায় ঝুঁকছে তরমুজ চাষিরা।

ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নে হাসান কেরানী চলতি মৌসুমে ৫০ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন, যার মধ্যে অধৈক জমিতে তিনি আগাম জাতের তরমুজ করেছেন। যার ফলও এসেছে। অধিক লাভের আশায় রমজানের দ্বিতীয় সপ্তাহে তরমুজ কাটতে পারবেন বলে আশাবাদী।

তরমুজ চাষি লোকমান, ইফতারের জন্য তরমুজের চাহিদা বেশি থাকে। রজমানের প্রথম দিকে বাজারে ফল কম থাকায় দাম ভালো পাওয়া যায়।

রমজানের বাজারকে টার্গেট করেই তিনি আগাম জাতের তরমুজ চাষ করেছেন। এখন শুধু অপেক্ষা, আগাম তরমুজ বিক্রি করে তার রঙিন স্বপ্ন পূরণ করবেন। কৃষক জাফর বলেন, তিনি দশ একর জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। যার মধ্যে চার একর আগাম জাতের। তার গাছেও ফল এসেছে। তিনিও রমজানের প্রথম দিকের বাজারে ফল তুলবেন বলে আশাবাদী। কৃষক হাসান বলেন, তরমুজ চাষে খরচ বেশি। তবে, ভালো ফলন ও বাজারে দাম ভালো থাকলে লাভও বেশি হয়। উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সাধারণত আমন ধান তোলার পর জানুয়ারি থেকে তরমুজের আবাদ শুরু হয়। ফলন আসে এপ্রিলে। তবে, ডিসেম্বরে আগাম তরমুজের আবাদ হয়। ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে তরমুজ বিক্রি শুরু হয়।

ভোলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুল হাসান বলেন, গত বছরের চেয়ে এ বছর বেশি জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। আগাম জাতের তরমুজের ফলনও ভালো হয়েছে। রমজানে ভালো দামও পাবেন চাষিরা।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত