
সমাজসেবা, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানবিক কর্মকাণ্ডে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘নাগরিক পদক-২০২৫’ বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পদক হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বছর আটটি ভিন্ন ক্যাটাগরিতে সমাজের তিন ব্যক্তি এবং পাঁচটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনকে এই সম্মানজনক পদকে ভূষিত করা হয়। পদকপ্রাপ্তরা হলেন- উদ্ভাবক ও স্টার্টআপ ক্যাটাগরিতে পিউপিল স্কুল বাস লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী আব্দুর রশিদ সোহাগ, ব্যক্তিগত উদ্যোগ ক্যাটাগরিতে শ্রুতি রানী দে এবং এডভোকেসিতে নাগরিক নেতা হাওয়া বেগম। এছাড়া পদকপ্রাপ্ত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো- সোশ্যাল মিডিয়া কনটেন্ট নির্মাণে আপলিফট বাংলাদেশ, পরিবেশবান্ধব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভাষানটেক স্কুল এন্ড কলেজ, সামাজিক সংগঠন হিসেবে উত্তরা পাবলিক লাইব্রেরি, প্রাণী সুরক্ষায় প ফাউন্ডেশন এবং সর্বোচ্চ করদাতা হিসেবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।
গতকাল রোববার বেলা ১১টায় রাজধানীর গুলশান-২ এ অবস্থিত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) নগর ভবনের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা ও পদক হস্তান্তর করা হয়। ডিএনসিসি’র জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. জোবায়ের হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। নাগরিক পদক প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
ডিএসসিসির প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের একাধিক নীতিনির্ধারক ও বিশিষ্টজন। নিজ নিজ ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের মাধ্যমে যারা সমাজ ও রাষ্ট্রগঠনে অনন্য ভূমিকা পালন করেছেন, তাদের এই সম্মানে ভূষিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএনসিসি। ডিএনসিসি’র এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পদক প্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বিষয়ে তুলে ধরা হয়েছে।
উদ্ভাবক ও স্টার্টআপ ক্যাটাগরি : ডিএনসিসি এক তথ্য বিবরণীতে জানিয়েছে, উদ্ভাবক ও স্টার্টআপ ক্যাটাগরিতে পদক পাওয়া আব্দুর রশিদ সোহাগ প্রযুক্তিনির্ভর সমাধানের মাধ্যমে ঢাকা ও চট্টগ্রামের স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের নিরাপদ যাতায়াতের জন্য দেশের প্রথম সমন্বিত পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তুলেছেন। জিপিএস ট্র্যাকিং ও মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে বর্তমানে ৪৫টির বেশি প্রতিষ্ঠানের সাত হাজার শিক্ষার্থী এই সেবা নিচ্ছে, যা নগরীর যানজট ও কার্বন নিঃসরণ কমাতে বিশেষ ভূমিকা রাখছে।