ঢাকা শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

কক্সবাজার ও মহেশখালী সমুদ্রে নজরদারি জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড

কক্সবাজার ও মহেশখালী সমুদ্রে নজরদারি জোরদার করেছে কোস্ট গার্ড

কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যুদের উপদ্রব বেড়েছে। ডাকাত ও জলদস্যুদের আটকের জন্য বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দায়িত্ব প্রাপ্ত এলাকায় টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও প্রযুক্তিগত নজরদারি জোরদার করেছে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বেশ কিছুদিন যাবৎ কক্সবাজার, মহেশখালী ও কুতুবদিয়া সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যুদের উপদ্রব বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানা যায়। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে ডাকাত ও জলদস্যুদের আটকের নিমিত্তে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড দায়িত্ব প্রাপ্ত এলাকায় ২৪ ঘণ্টা টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা তৎপরতা ও প্রযুক্তিগত নজরদারি জোরদার করেছে। এছাড়াও, আধুনিক সক্ষমতা ও প্রযুক্তি নির্ভর জাহাজ ও উচ্চগতি সম্পন্ন স্পিড বোটের মাধ্যমে টহল, আধুনিক রার্ডার ব্যবহার, Automatic Identification System (AIS), VHF, HF কমিউনিকেশন সিস্টেম ও GPS প্রযুক্তি ব্যবহার করে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন নাফ নদী ও সমুদ্র সীমান্ত এলাকায় সব ধরনের জলযান ও সন্দেহজনক গতিবিধি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। ফলশ্রুতিতে, গত দুই মাসে কোস্ট গার্ডের একাধিক বিশেষ অভিযানে ৪টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১৭টি দেশীয় অস্ত্র, ৬ রাউন্ড তাঁজা কার্তুজসহ ৩০ জন ডাকাত ও জলদস্যুকে আটক করা হয়। এছাড়াও, ডাকাতের কবলে জিম্মি থাকা ৩২ জন জেলেকে জীবিত উদ্ধার করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল শুক্রবার বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম, কোস্ট গার্ড জাহাজ কুতুদিয়া, বিসিজি স্টেশন কক্সবাজার, মহেশখালী, মাতারবাড়ী, কুতুবদিয়া ও শাহপরী এর সমন্বয়ে কক্সবাজার, কুতুবদিয়া, মহেশখালী ও তৎসংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় ডাকাত ও জলদস্যু নির্মূলে এবং সমুদ্রে মৎস্য আহরণে নিয়োজিত জেলেদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত কল্পে দিনব্যাপি সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি আরও বলেন, দেশের সাগর, নদী পথ ও উপকূলের নিরাপত্তায় বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে। সূত্র: সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত