ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

এলপিজি খাতে ডিজিটাল লাইসেন্সিং ব্যবস্থার দাবি

এলপিজি খাতে ডিজিটাল লাইসেন্সিং ব্যবস্থার দাবি

জটিল নীতিমালা, দীর্ঘসূত্রতা ও বিভিন্ন দপ্তরের অনুমোদন প্রক্রিয়ার কারণে এলপিজি খাতের উদ্যোক্তারা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন। এমন মন্তব্য করে এসব ভোগান্তি নিরসনে ওয়ান-স্টপ সার্ভিস চালু এবং ডিজিটাল লাইসেন্সিং ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (লোয়াব)। গতকাল রোববার বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ভবনে এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ও লোয়াব কর্তৃক আয়োজিত এক গোলটেবিল বৈঠকে এসব দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিইআরসি চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ, বুয়েটের কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ইয়াসির আরাফাত খান, বিইআরসি সদস্য (পেট্রোলিয়াম) সুলতানা রাজিয়া, এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ারের সম্পাদক মোল্লা আমজাদসহ আরও অনেকে।

বক্তব্যে লোয়াব প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, দেশে যখন প্রকৃতিক গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ কমে যায়, তখন সরকার ২০০৯/২০১০ সাল নাগাদ নতুন সিএনজি স্টেশন এবং গৃহস্থলি সংযোগ বন্ধ করে দিলো। সে সময় বিকল্প হিসেবে এলপিজি অটোগ্যাস ব্যবহার বাড়তে থাকলো। কিন্ত প্রয়োজনীয় নীতিমালা না থাকায় তেমন একটা প্রসার হয়নি, ২০১৫ সাল পর্যন্ত সারাদেশে মাত্র ১৫/২০ টা এলপিজি অটোগ্যাস স্থাপন হয়েছে। তিনি বলেন, প্রাকৃতিক গ্যাসের সংকট দিনদিন তীব্র হতে থাকলে এবং তার বিপরীতে রান্নার কাজে এলপিজি ব্যাবহার জনপ্রিয় হলে ২০১৫-১৬ সালের দিকে সরকার সিদ্ধান্ত নিলো যে, যানবাহনে এলপিজি ব্যাবহার করলে সিএনজি ষ্টেশনের ওপর চাপ কমবে এবং জনগণ সাশ্রয়ী এবং পরিবেশবান্ধব জ্বলানি হিসেবে গাড়িতে এলপিজি ব্যাবহার করবে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত