অনলাইন সংস্করণ
১২:৪২, ২৩ মে, ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছেন ঘরমুখো মানুষ। সড়কপথের তুলনায় তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক হওয়ায় অনেকেই বেছে নিচ্ছেন রেলপথ। ট্রেন ছাড়তে কিছুটা বিলম্ব হলেও যাত্রীদের মধ্যে বাড়ি ফেরার আনন্দ ও উচ্ছ্বাস দেখা গেছে।
শনিবার (২৩ মে) কমলাপুর রেলস্টেশনে গিয়ে এমন চিত্র দেখা যায়। আগের দিনের তুলনায় এদিন যাত্রীর চাপও ছিল বেশি।
বিশেষ করে উত্তরবঙ্গগামী ট্রেনগুলোতে ভিড় বেশি থাকলেও পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোতে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেছে।
জানা গেছে, ঈদের সরকারি ছুটি শুরু না হলেও অনেক চাকরিজীবী আগেভাগেই পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। স্ত্রী-সন্তান ও স্বজনদের নিয়ে অনেকে আগে থেকেই গ্রামের পথে রওনা হয়েছেন।
তবে কয়েকটি ট্রেন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে দেরিতে ছেড়েছে। সকালে চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী ও চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেসসহ কয়েকটি ট্রেন বিলম্বে স্টেশন ছাড়তে দেখা যায়।
যাত্রীরা বলছেন, ঈদ যত ঘনিয়ে আসবে মানুষের চাপ আরও বাড়বে। তখন পরিবার নিয়ে স্বস্তিতে ভ্রমণ করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে। ভিড় ও নানা ধরনের ভোগান্তি এড়াতেই অনেকে আগেভাগে টিকিট কেটে যাত্রা করছেন।
অনেক যাত্রীর মতে, স্বাভাবিক সময়েও ট্রেন চলাচলে কিছুটা দেরি হয়। তারপরও নিরাপদে বাড়ি পৌঁছাতে পারলেই তারা সন্তুষ্ট।
রেলওয়ে সূত্র জানিয়েছে, দিনব্যাপী ঢাকা থেকে ৪৬টি আন্তঃনগর ট্রেন এবং ২৩টি লোকাল, মেইল ও কমিউটার ট্রেন ছেড়ে যাবে। এতে প্রায় ৪৫ হাজার আসনের যাত্রী ছাড়াও অতিরিক্ত ১৫ থেকে ২০ হাজার দাঁড়িয়ে ভ্রমণকারী যাত্রী যাতায়াত করতে পারবেন।
কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শনে এসে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহিমুল ইসলাম বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, সময়সূচির বড় ধরনের বিপর্যয়ের আশঙ্কা নেই এবং ট্রেনের ছাদে যাত্রী ওঠা ঠেকাতে কঠোর নজরদারি থাকবে।