
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার শ্যামপুর গ্রামে ফসলী জমি কেটে পাকা সড়ক নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগ করেছে ওই গ্রামের কৃষকেরা। এ ঘটনা নিয়ে জমির মালিকদের মধ্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগে প্রকাশ, এলজিইডি’র তত্বাবধানে ওই উপজেলার জামতৈল-তামাই আরএইচডি থেকে আদাচাকি ভায়া কাজিপুরা সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় শ্যামপুর মৌজার মধ্য দিয়ে পাকা সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। ওই অঞ্চলে সরকারি কোন খাস জায়গা বা হালট নেই। প্রায় ৩০ জন কৃষকের তিন ফসলি জমি কেটে সড়ক নির্মাণ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
এক্ষেত্রে ভূমি অধিগ্রহণ বা ক্ষতিপূরণ ও ভুক্তভোগী কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা না করেই ভেকু মেশিন দিয়ে কৃষকের জমিতে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী জমির মালিকেরা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
তবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ অভিযোগ আমলে না নিয়ে সড়ক নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে এবং এ ঘটনায় বাঁধার আশংকায় কিছু জমি মালিকের বিরুদ্ধে ভেকু মেশিন পোড়ানোর মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, স্থানীয় কৃষকদের এ অভিযোগ পেয়েছি। জোরপূর্বক ও ব্যক্তিগত জমির উপর দিয়ে সড়ক নির্মাণের কোন বিধান নেই। সরকারি জায়গা না থাকলে এবং এলাকার লোক বাঁধা দিলে সেখানে সড়ক নির্মাণের কাজ হবে না। তবে এলাকাবাসির আবেদনের প্রেক্ষিতে এ সড়ক নির্মাণের বরাদ্দ পাওয়া গেছে এবং ইতোমধ্যেই কাজ শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ভূমি অধিগ্রহণের কোনো অপশন নেই। সেক্ষেত্রে এলাকার লোকজনের সাথে সমঝোতার ভিত্তিতেই সড়ক নির্মাণের কাজ করা প্রয়োজন।