
বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, আমার দল ইনশাআল্লাহ আপনাদের ভোটে এবং এই দেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত হলে আমরা সমগ্র দেশের শহর, এই ঢাকা শহরকে একটি নিরাপদ শহরে রূপান্তরিত করতে চাই। যেই শহরে মা বোনেরা নিরাপদে নিশ্চিন্তে যে কোন সময়ে হাঁটতে পারবেন, যেই শহরের মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন, ব্যবসা-বাণিজ্য, চাকরি-বাকরি করতে পারবেন। আমরা ঢাকাকে একটি সুন্দর শহর গড়ে তুলতে চাই। যেই শহরে শহরের মানুষ বুক ভরে শ্বাস নিতে পারবেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১২ টায় ঢাকা-১৭ আসনের বনানী কামাল আতাতুর্ক এভিনিউ খেলার মাঠে অনুষ্ঠিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, দেশ গঠনে বিএনপি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। বহু রক্ত ও ত্যাগের বিনিময়ে আমরা ভোটের অধিকার ফিরে পেয়েছি। এখন এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে দেশ পুনর্গঠন করতে হবে। দেশ পুনর্গঠনে বিএনপি সচেষ্ট থাকবে। বিএনপি জনগণের পাশে ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।
তিনি বলেন, বিএনপির একমাত্র রাজনৈতিক দল যাদের পরিকল্পনা আছে, দেশ পরিচালনার অভিজ্ঞতা আছে। তাই জনগণের ভোটে রাষ্ট্র গঠনের সুযোগ পেলে আমরা দেশের নারীদের জন্য পরিকল্পনা গ্রহণ করেছি। কিভাবে দেশের নারীদেরকে আরো ক্ষমতায়ন করা যায়।
দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী উল্লেখ করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, নারীদের উন্নয়নযাত্রার সঙ্গে সম্পৃক্ত না করলে দেশের প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। এ কারণে বিএনপি ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে। এই কর্মসূচির আওতায় সারাদেশের খেটে খাওয়া পরিবারের গৃহিণীদের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে এবং এর মাধ্যমে সরকার প্রতি মাসে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে, যাতে পরিবারগুলো ধীরে ধীরে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে।
কৃষকদের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘কৃষক ভালো থাকলে দেশ ভালো থাকবে। অতীতে বিএনপি সরকারের সময় কৃষকদের জন্য সুদ মওকুফ ও কৃষি জমির খাজনা মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে বলে তিনি ঘোষণা দেন।’
তারেক রহমান বলেন, দেশের তরুণ যুবক সমাজের সদস্য যারা ছেলে হোক মেয়ে হোক কিভাবে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করব, আইসিটি সহ ভোকেশনাল বিভিন্ন টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউশন গঠনের মাধ্যমে করব। দল-মত নির্বিশেষে, শ্রেণি-পেশা নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ যাতে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারে সেই পরিকল্পনা আপনাদের সামনে তুলে ধরেছি।