
নোয়াখালী-২ সেনবাগে বিএনপি প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক ও স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের সমর্থকদের মধ্যে দাওয়া-পালটা দাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
এসময় উভয় প্রার্থীর গাড়ী ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া উভয় পক্ষের কমপক্ষে ২০ জন নেতাকর্মী সমর্থক আহতের খবর পাওয়া গেছে। এই ঘটনায় পক্ষদ্বয় একে অপরের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি থানার অভিযোগ করেছেন। গত রোববার সন্ধা থেকে ৮টা থেকে রাত সাড়ে আটটা পর্যন্ত সেনবাগ বাজার ও কাবিলপুর ইউনিয়নের দিলদার মার্কেট এ ঘটনা ঘটে।
স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, রোববার বিকেল থেকে সেনবাগের কাবিলপুর ইউনিয়নে ছমির মুন্সিরহাটে কাপ পিরিজ মার্কার সমর্থনে গনসংযোগ করেন তিনি। গণসংযোগ শেষে সেনবাগ বাজারে যাওয়ার সময় সন্ধা সাড়ে ৬টা সময় দিকে দিলদার মার্কেট এলাকায় ধানের শীষের সমর্থকরা তাকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল নিক্ষেপ করে। এ ঘটানায় তার গাড়ির সামনের গ্লাস ভেঙ্গে যায়। প্রতিবাদে ঘটনার এক ঘন্টা পর আমার সমর্থকরা সেনবাগ বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করলে সেখানেও জয়নুল আবদিন ফারুকের সমর্থকরা আমার লোকের উপর হামলা চালায়। উভয় হামলায় কয়েক জন কর্মী সমর্থক আহত হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিবাদে কাজী মফিজের সমর্থকরা সেনবাগ বাজারে বিক্ষোভ মিছিল করে। এ সময় উভয় গ্রুপের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা দাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন কর্মী সমর্থক আহতের ঘটনা ঘটেছে। একই সময় বিএনপি প্রার্থী তথা ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুকের ঘাড়িতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ি আংশিক) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী জয়নুল আবদিন ফারুক অভিযোগ করেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের নির্দেশে তার সমর্থকরা সেনবাগ বাজারে আমার গাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। এ সময় আমার ১০জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে। আহতরা হলেন সেনবাগ পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক লিয়াকত হোসেন খোকন, পৌর বিএনপির যুগ্ন আহ্বায়ক সানদন হোসেন রাজু, ছাত্রদল নেতা গল্প, ছাত্রদল নেতা প্রান্তসহ ৮ জন। আহতদের বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর তার কর্মী সমর্থকরা ধাওয়া করলে কাজী মফিজ তার লোকজন নিয়ে পিছু হটে বাজার থেকে চলে যায়।